Beta

বইমেলা

‘৭০ কোটি ৫০ লাখ টাকার বই বিক্রি হয়েছে’

০১ মার্চ ২০১৮, ০৯:২৩ | আপডেট: ০১ মার্চ ২০১৮, ১০:৩৩

ফিচার ডেস্ক

বিদায়ের করুণ সুর বাজিয়ে এ বছরের মতো বিদায় নিল অমর একুশে বইমেলা। মাসব্যাপী এ গ্রন্থমেলার সমাপনী অনুষ্ঠান হয় গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যায়। মেলার মূল মঞ্চে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান।

প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন এবারের গ্রন্থমেলার সদস্য সচিব ড. জালাল আহমেদ। প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ ইব্রাহীম হোসেন খান। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।

অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান স্বাগত ভাষণে বলেন, ‘এবারের মেলা সার্বিক অর্থেই সর্বাঙ্গসুন্দর একটি মেলা হয়েছে। এর মাধ্যমে আমাদের সাংস্কৃতিক জাগরণ যে বেগবান হচ্ছে, তা নিঃসন্দেহে বলা যায়।’

প্রতিবেদন উপস্থাপন করে ড. জালাল আহমেদ বলেন, ‘গতকাল ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলা একাডেমি মোট এক কোটি ৫১ লাখ ২৪ হাজার  টাকার বই বিক্রি করেছে। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ পর্যন্ত স্টল মালিকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য এবং আজকের সম্ভাব্য বিক্রি যুক্ত করলে বলা যায় যে, এবার বইমেলায় মোট ৭০ কোটি ৫০ লাখ টাকার বই বিক্রি হয়েছে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসাদুজ্জামান নূর এমপি বলেন, ‘বইমেলা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্প্রসারণের সিদ্ধান্তটি যে সঠিক ছিল, তা এবারের মেলাতেও প্রমাণিত হয়েছে। এ বছরের ভুলত্রুটিগুলো হয়তো আগামী মেলায় কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ ইব্রাহীম হোসেন খান বলেন, ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা পৃথিবীর অন্যতম বইমেলা। প্রযুক্তির এই যুগে পাঠক যে বই থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়নি, এটা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।’

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, ‘আমাদের দেশে উচ্চ শিক্ষাস্তরে বাংলায় পাঠ্যপুস্তক কম প্রকাশিত হয়। এ ধরনের বই আরো প্রকাশিত হওয়া জরুরি।’ তিনি বলেন, ‘এবারের গ্রন্থমেলায় শিশু ও অভিভাবকসহ প্রচুর দর্শনার্থীর আগমন ছিল বিশেষভাবে লক্ষণীয়।’

অমর একুশে গ্রন্থমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমি পরিচালিত চারটি গুণীজন স্মৃতি পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কারপ্রাপ্ত সব প্রকাশককে ২৫ হাজার টাকার চেক, সনদ ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়।

সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী ফরিদা পারভীন।

Advertisement