Beta

ঈশিতা বাঁচতে চায়, প্রয়োজন ১২ লাখ টাকা

২০ জানুয়ারি ২০১৮, ১৪:২৯ | আপডেট: ২০ জানুয়ারি ২০১৮, ১৫:১০

ফিচার ডেস্ক

ঈশিতা রহমান পিংকি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ ৩৭ ব্যাচের ছাত্রী। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন ভালোই চলছিল সবকিছু। কিন্তু বিয়ের এক মাসের মাথায় সবকিছু যেন ওলট পালট হয়ে যায়। আকস্মিক জ্বর আসে ঈশিতার। জ্বর অবস্থায়  হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে ভর্তি হয় ঈশিতা। তখন ডাক্তাররা পরীক্ষা করে বললেন রোগী ক্রোনিক কিডনি রোগে আক্রান্ত। দিনদিন তার কিডনির সাইজ ছোট হয়ে যাচ্ছে। তার কিডনি দুইটাই প্রায়ই ৭৫% কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে। কিছুদিন আগেও যে সপ্নগুলো ঈশিতা দেখছিল এখন সবকিছুই যেন মুহূর্তেই তছনছ হয়ে যাচ্ছে।

ডাক্তার বলেছন কিডনি প্রতিস্থাপন করতে। কিছুদিন হাসপাতালের চিকিৎসা শেষ করে বাসায় নিয়ে আসা হয় ঈশিতাকে । এরপর ভেলর সিএমসিতে। একই কথা বলে ওরাও ওষুধ দিয়ে ছেড়ে দেয়। গত চার বছর আল্লাহর রহমতে ভালোই ছিল কিন্তু হঠাৎ করেই গত দুই মাস হলো অবস্থা খুবই খারাপ। ডাক্তার বলেছে এবার আর কোনো উপায় নাই এবার কিডনি প্রতিস্থাপন করতেই হবে। কারণ রোগী এখন প্রায় শেষ অবস্থায় আছে। আর কিডনি প্রতিস্থাপন করতে এবং প্রতিস্থাপনের পরে সব মিলিয়ে প্রায় ১৫-২০ লাখ টাকার প্রয়োজন। কিন্তু টাকা? এই মুহূর্তে এত টাকা কোথায় পাবে ঈশিতার পরিবার? ডাক্তার বলছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হবে। যত দেরি হবে রোগীর অবস্থা ততই খারাপ হয়ে যাবে।আর বেশি দেরি করলে হয়তো ঈশিতাকে বাঁচানোই অসম্ভব হয়ে যাবে। গত চার বছরে প্রায় ১৫-১৬ লাখ টাকা খরচ হয়ে গেছে ঈশিতার পরিবারের। এখন এতগুলো টাকা একসাথে জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব ঈশিতার পরিবারের। এখন প্রায় ১২ লাখ টাকার প্রয়োজন। ইতিমধ্যে তিন লাখ টাকা জোগাড় করা সম্ভব হয়েছে।

সব কিছুই প্রায় ঠিকঠাক সামনের মাসেই অপারেশন। এখন দরকার ১২ লাখ টাকা। যদি এই টাকা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জোগাড় করা সম্ভব না হয় তাহলে ঈশিতাকে বাঁচানো সম্ভব নয়। এই অবস্থায় আপনাদের সবার সহযোগিতাই পারে ঈশিতার জীবন বাঁচাতে। 

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা :

ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড

শান্তিনগর শাখা

মো. শামীম ইকবাল

অ্যাকাউন্ট নম্বর: ১০৮.১৫১.৮৪৫০৩

বিকাশ : ০১৭১৭৪৫৫৭২৭

০১৭৭৯৭০৭৬৩০ (দুইটাই ব্যক্তিগত)

Advertisement