Beta

ডিআইজি মিজানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, সীমান্তে সতর্কতা

২৪ জুন ২০১৯, ২৩:২১

নিজস্ব প্রতিবেদক
ডিআইজি মিজানুর রহমান মিজান। ছবি : সংগৃহীত

পুলিশের উপপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমান মিজান, তাঁর স্ত্রী, ভাই ও ভাগ্নের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার ওই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দুদক মামলা করার পর এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ডিআইজি মিজান, তাঁর স্ত্রী, ভাই ও ভাগ্নের নামে মামলা করে দুদক। এরপর এসব আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।’

এদিকে দুদকের নিষেধাজ্ঞার পর দিনাজপুরের হিলি চেকপোস্টসহ বিভিন্ন সীমান্তে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাওয়ার পর সোমবার বেলা ১১টার দিকে হিলি ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা সীমান্তে ও চেকপোস্ট এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে।

তিন কোটি সাত লাখ পাঁচ হাজার ২১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন ও তিন কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সোমবার দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয় ১-এ সংস্থাটির পরিচালক মনজুর মোর্শেদ বাদী হয়ে মামলা (মামলা নম্বর : ১) করেন। মামলার আসামিরা হলেন ডিআইজি মিজানুর রহমান, তাঁর স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না, ভাগ্নে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হাসান ও ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান।

এ বিষয়ে বিকেল ৪টার দিকে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ কবীর বলেন, এই পথ ব্যবহার করে ডিআইজি মিজান যাতে কোনোভাবেই ভারতে পালাতে না পারেন সেজন্য হেডকোয়ার্টার থেকে দিনাজপুর পুলিশ সুপারের মাধ্যমে একটি নির্দেশনা পেয়েছি। এর পর পরই তাঁর নাম কালো তালিকাভুক্ত করে ব্লক করে দেওয়া হয়।

ফিরোজ কবীর আরো বলেন, যেসব পাসপোর্টধারী যাত্রী বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাচ্ছে, তাদের ছবি, নাম-ঠিকানা তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে সতর্কতার সঙ্গে যাচাই-বাছাই করে ক্লিয়ারেন্স দেওয়া হচ্ছে। আবার ভারত থেকে দেশে আসার পথে একইভাবে দেখা হচ্ছে। ইমিগ্রেশন কার্যালয়ে থাকা পূর্বের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার তালিকা দেখেও যাত্রীদের ছবি, নাম-ঠিকানা মেলানো হচ্ছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

বিজিবির হিলি সিপি ক্যাম্পের সুবেদার চান মিয়া বলেন, বিজিবি স্বাভাবিকভাবেই সব সময় সীমান্তে কড়া নজরদারীর মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করে। তবে ডিআইজি মিজানের বিষয়টা জানার পর সতর্ক আছি। এ ছাড়া সিসি ক্যামেরার মাধ্যমেও সীমান্তে চলাচলকারী লোকজনের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

Advertisement