Beta

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান

বেসক্যাম্পকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

২৯ জুন ২০১৯, ২০:২৯ | আপডেট: ০১ জুলাই ২০১৯, ১৮:৪৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

অর্থ নিয়ে বেড়াতে যাওয়া গ্রাহকদের প্রতিশ্রুত সেবা না দেওয়ার দায়ে গাজীপুরের ট্যুরিস্ট স্পট দ্য বেসক্যাম্প, বাংলাদেশকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

মো. রাকিব হাসনাত সুমন নামে একজন অতিথির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আজ শনিবার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারের নেতৃত্বে ওই ক্যাম্পে এক অভিযানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় বেসক্যাম্পকে জরিমানা এবং কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়।

এ প্রসঙ্গে উপপরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার আজ সন্ধ্যায় এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়ে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনা হয়েছে। অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত উভয়পক্ষকে তাদের বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়েছে। বেসক্যাম্পকেও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর ৪৫ ও ৫৩ নং ধারায় তাদের দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

উপপরিচালক আরো বলেন, ‘বেসক্যাম্পের পক্ষ থেকে যে ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা প্রদানে ব্যর্থ হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এ জরিমানা তাদের জন্য সতর্কতামূলক। এটি শুধু এ প্রতিষ্ঠানের জন্যই সতর্কতামূলক নয়, পর্যটনশিল্পের সঙ্গে জন্য যুক্ত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জন্যও এটি একটি সতর্কবার্তা। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানেও অভিযান পরিচালনা করা হবে। গ্রাহকদের সঙ্গে কেউ প্রতারণা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনের যথাযথ প্রয়োগ করা হবে।’

গাজীপুরের বেসক্যাম্পে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান

এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর অভিযোগ করেন মো. রাকিব হাসনাত সুমন নামের একজন অতিথি। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, “সবিনয় নিবেদন এই যে আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী মো. রাকিব হাসনাত সুমন আপনাকে এই মর্মে জানাইতেছি যে, আমরা কয়েকজন বন্ধু ফেসবুকে ‌দ্য বেসক্যাম্প, বাংলাদেশ নামে একটি ট্যুরিস্ট স্পটের বিজ্ঞাপন দেখে সবাই সপরিবারে সেখানে ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নেই। সেখানে ভ্রমণের জন্য ভ্যাটসহ শিশুদের ৪,২৯৯ (চার হাজার দুইশত নিরানব্বই) টাকা ও বড়দের জন্য ৮,৫৯৭ (আট হাজার পাঁচশত সাতানব্বই) টাকা খরচ নির্ধারণ করা ছিল। আমরা সে খরচে সম্মত হয়ে এবং বেসক্যাম্প বাংলাদেশ লিমিটেডের সাথে যোগাযোগ করে ট্যুরের বিষয়ে বিস্তারিত জানি। মানসম্মত থাকা-খাওয়া, নিরাপদ রাত্রিযাপনসহ ভালো সেবা পাওয়ার আশ্বাসে নিশ্চিত হয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ শুক্রবার সেখানে রিজার্ভেশন কনফার্ম করি। ভ্রমণের প্রায় ১ মাস আগে ১৩ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে আমাদের পক্ষ থেকে খন্দকার ফকরউদ্দীন আহমেদ উক্ত বেসক্যাম্প বাংলাদেশ লিমিটেডের ডাচ-বাংলা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে (হিসাব নম্বর: ১০৭.১১০.২৩২৩৮) ৫০,০০০/- হাজার টাকা জমা দেন।

আমরা গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখে ছয় পরিবারের ১৮ জন সদস্য (৭ জন শিশুসহ) বেসক্যাম্পের উদ্দেশে রওনা দেই। ঢাকা থেকে সকালে রওনা দিয়ে দুপুর ১টার দিকে গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরের বেসক্যাম্পে পৌছি। বেসক্যাম্পের গেটে গাড়িতে দীর্ঘ সময় থাকার পর হাবিব নামে একজন ওয়াকটকি নিয়ে আসেন। সেখানে এসে তিনি বলেন ‘আপনাদের লাগেজগুলো সাথে নিয়ে নামেন।’ তখনই আমরা সবাই বিস্মিত হই। টানা ৪-৫ ঘণ্টা জার্নি করার পর নিজেদের লাগেজগুলো নিয়ে নামাটা খুবই কষ্টকর ছিল। পরে খারাপ অবস্থা দেখে ট্যুরিস্ট কোচের ড্রাইভার এগিয়ে আসেন। এরপর ৬টি পরিবারের লাগেজ ভেতরে নেওয়ার জন্য ট্রলি আনতে বললে একজন কর্মচারী ময়লা ফেলার ট্রলি নিয়ে আসেন।

এর আগে ফেসবুকে বেসক্যাম্পের যেসব তাঁবু দেখেছিলাম সেগুলো চোখে পড়ল মাত্র চারটি এবং তা ছিল নিম্নমানের। ভাবলাম এগুলোই হয়তো আমাদের ছয়টি পরিবারের জন্য। কিন্তু বলা হলো তাঁবু মানে কাপড়ের তাঁবু। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিব ধমক দিয়ে সবার সাথে কথা বলছিলেন। তিনি বলেন ‘আপনারা যার সাথে কনট্যাক্ট করেছেন তাকে বলেন।'

আমরা বেসক্যাম্পে দুই সাইজের তাঁবু দেখতে পাই, তাঁবু একটি চারজনের জন্য আর অন্যটি দুইজনের জন্য। আমাদের ছয়টি পরিবারের মধ্যে দুটি পরিবারের সদস্য সংখ্যা ছিল তিনজন করে, যাদের প্রত্যেকের সঙ্গেই একটি করে শিশু সন্তান রয়েছে। সেখানে আমাদের বলা হলো, দুইজনের তাঁবুতেই তিনজন করে থাকতে হবে। অনেক তর্ক-বিতর্কের পর একজনকে এক্সট্রা একটি তাঁবু দেওয়া হয়। সেখানে খন্দকার ফকরউদ্দীনকে তাঁর স্ত্রী ও শিশুকন্যাকে ছেড়ে থাকতে হলো দূরের একটি তাঁবুতে। এছাড়া আমিনুল ইসলাম তাঁর স্ত্রী ও শিশুপুত্রকে নিয়ে গাদাগাদি করে দুইজনের তাঁবুতেই কোনোমতে রাত্রিযাপন করেন।

তাঁবু দেওয়ার পর যেন সব দায়িত্ব শেষ বেসক্যাম্পের। আশপাশে নেই ওয়াশরুম। আমাদের চোখে পড়ল এদিক-ওদিক প্রচুর তাঁবু। সন্ধ্যার পর এসব তাঁবুতে এসেছিল আর অন্তত দেড়শ মানুষ। আর এই সব মানুষের জন্য তাদের সামান্য কয়েকটি গণওয়াশরুম। তাঁবুর মধ্যে আলো বা পানির কোনো ব্যবস্থা নেই। চারদিকে শুধু মশার ভন ভন শব্দ। চারদিকে জঙ্গল ও অজস্র মশা। কিন্তু কোথাও চোখে পড়ল না ফার্স্ট এইড বক্স বা অসুস্থ হলে করণীয় কী. সে সম্পর্কে কোনো নির্দেশনা। আমাদের সঙ্গে নিয়ে যাওয়া মালামাল রাখতে হলো তাঁবুর বাইরে ধুলোবালিতে। এমনকি তাঁবুর বাইরে কোন ম্যাট বা পাপোসও চোখে পড়ল না। আমাদের গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে রইল তাঁবুর বাইরে।

বেসক্যাম্প ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে জানাচ্ছে, সেখানে প্রতিদিন ৫০০ লোকের অ্যাকোমোডেশনের ব্যবস্থা রয়েছে (বিজ্ঞাপনের স্ক্রিনশট যুক্ত)। এই ৫০০ লোকের জন্য তাদের রয়েছে ছোট্ট একটি সুইমিং পুল ও একটি চেঞ্জিং রুম। সুইমিং পুলে ২০ জন মানুষ নামলেও সেটা অতিরিক্ত মনে হবে। সুইমিং পুলে উপচে পড়ছিল পানি আর তা দেখে ছুটে যাচ্ছিল বিভিন্ন পরিবারের সঙ্গে শিশুরা। কিন্তু পুলের আশেপাশে কোনো অ্যাটেনডেন্ট চোখে পড়েনি, যারা কোন দুর্ঘটনা হলে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেন।

সবচেয়ে বড় দুর্ভোগ নেমে এলো গভীর রাতে। হঠাৎ করেই নামলে বৃষ্টি আর তাঁবুর ফুটো দিয়ে পানি পড়ে ভিজে গেল অনেকের বিছানা। অন্ধকারে অনেক তাঁবুতে বাচ্চারা কাঁদতে শুরু করল। তখন বেসক্যাম্পের কেউ খোঁজ নিতে এল না। ওই অবস্থায় কোনো অভিভাবক জানতেন না তাদের কী করা উচিত বা কাদের সাহায্য তারা পেতে পারেন। বৃষ্টিতে তাঁবুর বাইরে থাকা সবার ব্যাগ, মালামাল ভিজে মূল্যবান জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে গেল।

পরের দিন, ৯ ফেব্রুয়ারি তারিখ সকালে নাশতার টেবিলে গিয়ে আরেক ভয়াবহ অভিজ্ঞতা হয়। কমন স্পেসে পানি, চা আর কলা ছিল। তারপরেও বেসক্যাম্পের একজন কর্মীকে জিজ্ঞেস করে নিশ্চিত হয়ে আমরা কয়েকটি কলা খেলাম। তখনই সেখানে বেড়াতে আসা কোনো একটি গার্মেন্টসের কর্মচারীদের একজন দলনেতা আমাদের দিকে তেড়ে এলেন। কলা খাওয়া নিয়ে শুরু হলো বচসা। তারাও বেস ক্যাম্পের কর্মীদের ডেকে জিজ্ঞেস করে নিশ্চিত হলেন, আমরা তাদের জিজ্ঞেস করেই কলা খেয়েছি। এরপর তারা ক্ষেপে গেলেন সেখানকার ম্যানেজার হাবিবের ওপর। পুরো বিষয়টি আমাদের জন্য ছিল চরম বিব্রতকর। সকালে নাস্তার একটি কমন স্পেসে কেন কারও ব্যক্তিগত কলার কাদি ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল-সে প্রশ্নের উত্তর আমরা এখনো পাইনি। দেশ-বিদেশে আমাদের ভ্রমণের অতীত অভিজ্ঞতায়ও এমন একটি উদ্ভট পরিস্থিতির মুখোমুখি কখনো পড়তে হয়নি। এই নিয়ে তিক্ত পরিস্থতির মধ্যে সকালের নাশতা এলো নয়টার পর। ততক্ষণে বাচ্চাদের অবস্থা কাহিল। নাশতা করার মাঝেই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি নামল। সেটা মাথায় নিয়েই নাশতা সারলাম।

গাজীপুরের বেসক্যাম্পে বেড়াতে গিয়ে সেবা না পেয়ে একজন অতিথি এভাবেই ফেসবুকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন

সকাল ১০টার দিকে কোনোভোবে হয়তো ওখানকার লোকজন জানতে পারল আমাদের দলটির প্রায় সবাই সাংবাদিক (যে পরিচয় বেসক্যাম্পে গিয়ে আমরা নিজে থেকে একবারও দেইনি)। তবে সকাল থেকেই ফেসবুকে আমরা অনেকেই আমাদের অভিজ্ঞতার বর্ণনার দিয়ে বিভিন্ন পোস্ট দিয়েছি। সেসব পোস্ট দেখে ঢাকা থেকে পেশাগত সহকর্মীদের অনেকে খোঁজ-খবর নিয়েছেন। তাদের অনেকে আবার আমাদের পোস্ট শেয়ারও করেছেন। কয়েকটি ট্রাভেলার্স গ্রুপও সেগুলো শেয়ার করলো। এরপর শুরু হলো দুঃখপ্রকাশ পর্ব। আমাদের বন্ধু খন্দকার ফকরউদ্দীনের (যার নেতৃত্বে গিয়েছিলাম) কাছে ফোন এলো ক্যাম্পের এর হর্তাকর্তাদের। যে বেসক্যাম্পে পাঁচ ঘণ্টা জার্নি করে যাওয়ার পর এক গ্লাস পানিও দেয়নি, যারা তাঁবুতে পানি, স্যান্ডেল, ব্রাশ, পেস্ট, টাওয়েল কিছু দেয়নি তারাই হঠাৎ চায়ের সাথে নিয়ে এলো ফ্রুটিকা জুস। দুপুরে আমাদের লাঞ্চের সাথে অতিরিক্ত যোগ হলো কাচ্চি বিরিয়ানি। কিন্তু এর দাম না নিলে আমরা এটা খাব না জানিয়ে দেই। তারপরও সেখানকার কর্মীদের অনুনয়-বিনয়ে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে কেউ কেউ কাচ্চি একটু করে নিয়েছি। এরপর আমাদের আরও বিস্মিত হওয়ার পালা। দুপুরের খাওয়া শেষ হতে না হতেই একজন এসে বলল– স্যার আপনাদের জন্য আমাদের একটা গিফট আছে। আর সেটি হলো ডিসকাউন্ট এবং তার পরিমাণ ৪০ হাজার টাকা। আমরা নিশ্চিত হলাম যে এটি আসলে ঘুষ হিসেবে দেওয়া হচ্ছে, যাতে বেস ক্যাম্প নামক এই ‘শরণার্থী শিবিরের’ প্রকৃত অবস্থা বাইরে ফাঁস না হয়। আর এ কারণেই ওই ডিসকাউন্ট প্রত্যাখ্যান করে মোট ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৪৯ টাকা পরিশোধ করে ৯ ফেব্রুয়ারি বেলা ৩টার দিকে আমরা ওই ‘জাহান্নাম’ থেকে বেরিয়ে আসি।

তবে হ্যাঁ, ভেতরে নানা অ্যাক্টিভিটির জন্য যেসব ট্রেইনার ছিলেন, তারা চেষ্টা করেছেন নানা সীমাবদ্ধ সামর্থ্যের মধ্যেই খেলাগুলো ঠিকমতো পরিচালনা করতে।

এমতাবস্থায় উক্ত ট্যুর থেকে আমাদের যে ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার কথা ছিল, সেটা তো দূরের কথা শিশুসহ আমাদের যে নিরাপত্তাহীন পরিবেশে রাখা হয়েছে, তা ভোক্তা অধিকার আইনের চরম লঙ্ঘন।

অতএব, বিনীত নিবেদন এই যে, উক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে শুনানি অন্তে ন্যায় বিচার করিতে মর্জি হয়।”

বিষয়টি আমলে নিয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের গাজীপুর জেলা কার্যালয়ে গত ১৯ জুন শুনানির জন্য উভয়পক্ষকে ডাকা হয়। দুই পক্ষের বক্তব্য শুনে আজ বেসক্যাম্পে ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিদ্যমান আইনের ৪৫ ও ৫৩ নং ধারায় এ রায় দেওয়া হয়।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪৫ ধারায় বলা হয়েছে, ‘কোন ব্যক্তি প্রদত্ত মূল্যের বিনিময়ে প্রতিশ্রুত পণ্য বা সেবা যথাযথভাবে বিক্রয় বা সরবরাহ না করিলে তিনি অনূর্ধ্ব এক বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।’

একই আইনের ৫৩ ধারায় বলা হয়েছে, ‘কোন সেবা প্রদানকারী অবহেলা, দায়িত্বহীনতা বা অসতর্কতা দ্বারা সেবাগ্রহীতার অর্থ, স্বাস্থ্য বা জীবনহানি ঘটাইলে তিনি অনূর্ধ্ব তিন বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক দুই লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।’

Advertisement