Beta

সুনামগঞ্জের পাঁচ উপজেলার অধিকাংশ গ্রাম প্লাবিত

১০ জুলাই ২০১৯, ০৯:৫০

ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বেড়েছে পানি। ছবিটি গতকাল মঙ্গলবার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের শক্তিয়ারখলা এলাকা থেকে তোলা। ছবি : স্টার মেইল

টানা ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের পাঁচ উপজেলার সীমান্তবর্তী অধিকাংশ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ওই চার উপজেলার বেশির ভাগ রাস্তাঘাট প্লাবিত হওয়ায় লাখো মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন।

এছাড়া  জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার শক্তিয়ারখলা এলাকার মূল সড়ক  এবং তাহিরপুর উপজেলার আনোয়ারপুর এলাকার সড়কটি পানির নিচে থাকায় জেলা সদরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ওই দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো প্লাবিত হয়েছে। একইভাবে সুনামগঞ্জ সদর দোয়ারাবাজার ও ছাতক উপজেলার সীমান্তবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

এদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলার নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির এবং বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে  আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উপজেলাগুলোতে খোলা হয়েছে নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় সাড়ে তিন হাজার শুকনো খাবার প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাকে অগ্রাধিকার দিয়ে ওই খাবার বিতরণ করা হবে।

বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় পানি বেড়েই চলেছে।  সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর পানি ষোলঘর পয়েন্ট দিয়ে ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আহাদ বলেন, ‘আমরা বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করেছি। প্রায় সাড়ে তিন হাজার শুকনো খাবার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সার্বক্ষণিক এলাকায় থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আমরা সকলস্তরের মানুষ নিয়ে এরই মধ্যে সভা করেছি। যে কোন ধরণের পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুত আছি।’

Advertisement