Beta

‘ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের মধ্যে সমন্বয়হীনতার অস্তিত্ব নেই’

২৭ জুলাই ২০১৯, ২৩:৫৯

শনিবার ঢাকা ওয়াসার বাস্তবায়নাধীন ডিইএমডব্লিউএসপি প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। ছবি : এনটিভি

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন একযোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কাজ করছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, দুই সিটি করপোরেশনের মধ্যে কোনো সমন্বয়হীনতা নেই।

মন্ত্রী বলেন, কয়েকদিন আগে আমি উভয় সিটি করপোরেশনকে নিয়ে সপ্তাহব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রম শুরু করেছি। সমন্বয়হীনতার যে অভিযোগ আসছে বাস্তবে তার কোনো অস্তিত্ব নেই।

শনিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার বিষনন্দি এলাকায় মেঘনা নদী থেকে ঢাকা ওয়াসার বাস্তবায়নাধীন ঢাকা এনভায়রনমেন্টাল সাসটেইনেবল ওয়াটার সাপ্লাই (ডিইএমডব্লিউএসপি), সায়দাবাদ পানি শোধনাগার ফেইজ-৩ পরিদর্শন করে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

এর আগে আড়াইহাজার উপজেলা মিলনায়তনে স্থানীয় সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, একাধিক সচিব, বিদেশি অতিথি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

এডিস মশা নিধনে সচেতনতার ওপর জোর দিয়ে এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, মশা কমেছে, কিন্তু এডিস মশা ছাদে খালি জায়গায় জন্মে, বাথরুমের বেসিন বা কমোডে জন্মে, বৃষ্টি হলে বাসাবাড়িতে ছাদে আঙিনায় পানি ৪৮ ঘণ্টা এক জায়গায় থাকলেই সেখানে এডিস মশার জন্ম হয়।  

সরকার নদী দখলের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নিয়েছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, শিল্পবর্জ্য যেন বাংলাদেশের কোনো নদীকে দূষণ করতে না পারে সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের নদীগুলোকে দূষণমুক্ত করা এবং নাব্যতা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রধানমন্ত্রী একটি কমিটি করেছেন। সেই কমিটির স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বটা আমার ওপর পড়েছে। মেঘনা নদীকে যাতে আগের মতো দূষণমুক্ত অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া যায় তার জন্য বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ঘরোয়া আবর্জনা, শিল্প আবর্জনা এবং যানবাহনগত আবর্জনা নদীতে যাতে না যায়, এগুলোর জন্য ব্যবস্থা করা হবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহোল্টজ বলেন, বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে ফ্রান্স, ডেনমার্ক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জার্মানি এ প্রকল্পের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। রাজধানী শহরের সুপেয় পানি নিশ্চিত করতে কাজ করছে প্রকল্পটি। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প। এর বাস্তবায়নে কিছুটা দেরী হলেও এখন দ্রুত এর কাজ শেষ করা দরকার।

Advertisement