Beta

শিগগিরই মশা মারার কার্যকর ওষুধ আসছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

০১ আগস্ট ২০১৯, ২০:৩১

নিজস্ব প্রতিবেদক
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে ‘ডেঙ্গু প্রকোপ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা’ শীর্ষক আন্তমন্ত্রণালয় আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন। ছবি : এনটিভি

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, শিগগিরই মশা মারার কার্যকর ওষুধ আসছে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ দেশের সব মানুষের সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগে খুব শিগগিরই দেশের ডেঙ্গু প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ডেঙ্গু প্রকোপ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা’ শীর্ষক আন্তমন্ত্রণালয় আলোচনা সভায় সর্বশেষ ডেঙ্গু পরিস্থিতি পর্যালোচনা শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সদস্য ডা. মোস্তফা কামাল মহিউদ্দিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সোহরাব হোসেন, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ এবং  বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সলানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ডেঙ্গু নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক কর্মকর্তা ড. বি এন নাগপাল।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সংশ্লিষ্টরা সার্বক্ষণিক  মনিটরিং করছে। ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করার পাশাপাশি শিগগিরই মশক নিধনে কার্যকর ওষুধ আনা হচ্ছে।

জাহিদ মালেক বলেন,  প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় প্রতিদিন ডেঙ্গু পরিস্থিতির খোঁজ-খবর নিচ্ছেন এবং দিক নির্দেশনাও দিচ্ছেন।

এ ছাড়া স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে সমন্বয় রেখে একযোগে কাজ করছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী অল্প দিনের মধ্যেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতালগুলোতে নতুন নতুন ওয়ার্ড খোলা হচ্ছে এবং যেসব হাসপাতালে রোগী ভর্তি করা হতো না সেখানেও ভর্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

Advertisement