Beta

ফরিদপুরে বিনামূল্যে ডেঙ্গুর চিকিৎসা দিবে ক্লিনিকগুলো

০১ আগস্ট ২০১৯, ২৩:৩৪

ডেঙ্গু প্রতিরোধ সভায় ফরিদপুর বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক মালিক সমিতির নেতারা। ছবি : এনটিভি

ফরিদপুরের ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দিবে বলে ঘোষণা দিয়েছে জেলা বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক মালিক সমিতি। বৃহস্পতিবার শহরের নিলটুলীর আরোগ্য সদন হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে ‌ডেঙ্গু প্রতিরোধ সভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়। 

এ সময় ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ এনামুল হক, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আফজাল হোসেন, আরোগ্য সদনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আওলাদ হোসেন বাবর, জেলা বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. করমউদ্দিন বক্তব্য দেন।

সভায় জানানো হয়, ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা বেশ ব্যয়বহুল। তাই মানবিক দিক বিবেচনা করে তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ডেঙ্গু রোগীদের প্রাথমিক পরীক্ষা, চিকিৎসক ফি এবং বেডের ভাড়া নেবেন না অর্থাৎ বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হবে। শহরের প্রায় ১০টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ সেবা দেওয়া হবে। এছাড়া যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় চারটি রক্তদাতা প্রতিষ্ঠানকে তৈরি থাকতে বলা হয়েছে। তবে এ সেবা পেতে রোগীদের জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনের কাছ থেকে অনুমোদন নিয়ে আসতে হবে।

এ সময় ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ এনামুল হক সাংবাদিকদের জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত জেলার হাসপাতালগুলোতে ৮৫ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। সামনের দিনগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে জানান তিনি।

ফরিদপুরে ডেঙ্গুর চিকিৎসা নিয়েছেন ১২৭

গত ২০ জুলাই থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ফরিদপুরের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল মিলে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে মোট ১২৭ জন। এর মধ্যে তিনজনকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। ৩০ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে। বিকেল পর্যন্ত ফরিদপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৯৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

হাসপাতালে ভর্তি ১২৭ জন রোগীর মধ্যে ১৪ জন ফরিদপুরে থাকাকালেই আক্রান্ত হয়েছেন। বাকিদের বেশিরভাগ এসেছেন ঢাকায় আক্রান্ত হয়ে।

এ ছাড়া রাজবাড়ী, মাদারীপুর, ঝিনাইদহসহ আশেপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ফরিদপুরে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. কামদা প্রসাদ সাহা জানান, এ পর্যন্ত এখানে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট ৮৮ জন ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে দুইজন ঢাকায় স্থানান্তরিত হয়েছেন, ২১ জন চিকিৎসা শেষ করে সুস্থ হয়ে ফিরে গেছেন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬৫ জন।

Advertisement