Beta

আ.লীগ নেতারা আবোল-তাবোল বকছেন : ড. মোশাররফ

০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:০১

নিজস্ব সংবাদদাতা
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন আজ সোমবার বিকেলে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। ছবি : এনটিভি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, নিজেদের দোষ ধামাচাপা দিতে অবৈধ সরকারের প্রধানসহ তাদের দলের নেতারা আবোল-তাবোল বক্তব্য দিচ্ছেন। তিনি বলেন, কোনো কারণ ছাড়াই গতকাল সংসদে প্রধানমন্ত্রী শহীদ জিয়াউর রহমানকে কটূক্তি করেছেন।

ড. মোশাররফ বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নাকি অবৈধ রাষ্ট্রপতি ছিলেন। কিন্তু ১৯৭৮ সালের জুন মাসে সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে এ দেশের জনগণ ভোট দিয়ে জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করেছিলেন। আওয়ামী লীগের মতো ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন, ২৯ তারিখ রাতে ডাকাতি করে নয়, এ দেশের জনগণের ভোটের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ছিলেন।

আজ সোমবার বিকেলে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য এসব কথা বলেন।

ড. মোশাররফ বলেন, যারা শহীদ জিয়াউর রহমানকে অবৈধ বলে তাদের মনে দুর্বলতা রয়েছে। এই সরকার অনির্বাচিত, রাতের অন্ধকারের ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় টিকে আছে। যেহেতু তারা অবৈধ, তাই নিজেদের দোষ অন্যের ওপরে চাপানোর চেষ্টা করছে। তারা আজ যে অবৈধভাবে ক্ষমতায় রয়েছে সেটিকে ধামাচাপা দিতে চায়। তাদের নিজেদের দোষ অন্যের ওপর চাপাতে চায়, এই কাজটা আওয়ামী লীগ সবসময়ই করে।

বিএনপির শীর্ষস্থানীয় এই নেতা বলেন, বাকশাল করে আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল। ২৯ ডিসেম্বর রাতে আবারও তারা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। অন্যদিকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাকশালের পরিবর্তে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আওয়ামী লীগের রেকর্ড হচ্ছে, গণতন্ত্রকে হত্যা করা। বিএনপির রেকর্ড হচ্ছে গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।

ড. মোশাররফ হোসেন বলেন, আজকে আমরা যখন মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করছি, তখন গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া একটি মিথ্যা মামলায় অন্যায়ভাবে কারাগারে বন্দি। এই ধরনের মামলায় যদি কেউ সাজাপ্রাপ্ত হয়ে থাকে হাইকোর্ট থেকে সাত দিনের মধ্যে তিনি জামিনে মুক্তি লাভ করে থাকেন। কিন্তু দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজকে দেড় বছরের উপরে এই ফ্যাসিবাদী সরকারের কারাগারে নির্যাতিত হচ্ছেন। তাই আজকে মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সব নেতাকর্মীকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে, দেশে যদি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হয় গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে।

মহিলা দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোশাররফ হোসেন বলেন, জনগণ এই অবৈধ সরকারের হাত থেকে মুক্তি চায়। আর এই মুক্তি এনে দিতে পারে একমাত্র বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতাকর্মীরা। তাই আজকে মহিলা দলের ওপর বিরাট দায়িত্ব রয়েছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা সম্ভব না। আপনারা যে যে অবস্থানে আছেন আগামী দিনে আপনারা প্রস্তুত থাকবেন। এ দেশে স্বৈরাচার সরকার অতীতে টিকে নাই, এবারও টিকবে না। সময় আছে, জনগণ তাদের উপযুক্ত জবাব দেবে।

Advertisement