পাবনার সুজানগরে ইউপি নির্বাচনী অফিস ভাংচুর, প্রতিপক্ষের গুলিতে আহত ৩০

আসন্ন চতুর্থ ধাপ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার পাবনার সুজানগরের নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নে প্রতিপক্ষের গুলিতে স্কুলছাত্রসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে।
এদের মধ্যে সাতজনকে পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ছয়জনকে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় বেশ কয়েকটি নির্বাচনী অফিস ভাংচুর করা হয়।
পাবনার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজারী জাকির হোসেন চুন্নু বলেন, প্রতিপক্ষের একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী মাইক্রোবাসে করে নাজিরগঞ্জে তাঁর কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়ে নির্বাচনী অফিস ও প্রচার মাইক ভাংচুর ও নির্বিচারে গুলি চালিয়ে স্কুলছাত্রসহ প্রায় ৩০ জনকে আহত করেছে বলে অভিযোগ করেন।
গুরুতর আহত কালাচান প্রাং (৪০), আবদুল বাতেন (৪০), আছের প্রাং (১৫), সামসুর রহমান (৩০), আসাদুজ্জামান (২২), আমিরুল ইসলাম (২৭), মমিলুর ইসলাম (১৩), লিটন শেখ (৩০), সবুজ (২৫), শহিদুল ইসলামসহ (২৭) আহতদের পাবনার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের সুজানগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী মশিউর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি মিটিংয়ে ছিলাম। কী হয়েছে, জানি না।’
বিএনপির প্রার্থী হাজারী জাকির হোসেন চুন্নু আরো অভিযোগ করেন, ‘বিএনপির সাবেক এমপি সেলিম রেজা হাবিবের নেতাকর্মী, আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী মশিউর রহমানের ভাগ্নে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক তসলিম হাসান সুইট যোগসাজশ করে প্রকাশ্য অস্ত্র নিয়ে গুলি চালিয়ে আমার কর্মী-সমর্থকদের আহত করেছে।’
এ ব্যাপারে সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাকিল উদ্দিন আহমেদ জানান, বিষয়টি নিয়ে কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। তবে বিএনপির দুই পক্ষে সংঘর্ষ হয়েছে বলে জানতে পেরে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।