সুজানগরে দুই প্রার্থীর ভোট বর্জন, সংঘর্ষ গোলাগুলি

পাবনার সুজানগর উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের মোমিনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্র দখলকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আমিনুল ইসলাম আমিন এবং বিদ্রোহী প্রার্থী ওমর আলীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষই দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
এ সময় হেদায়েত হোসেন নামের একজন গুলিবিদ্ধসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় গুলিভর্তি পিস্তলসহ কামরুজ্জামান (৩৫) নামের একজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এদিকে তাঁতীবন্দ ও সাগরকান্দি ইউনিয়নে ভোট বর্জনের ঘটনা ঘটেছে।
আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাঁতীবন্দ ইউনিয়নের বিএনপির চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুর রউফ সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।
আবদুর রউফ অভিযোগ করে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবদুল মতিন মৃধার সমর্থকরা ইউনিয়নের নয়টি ভোটকেন্দ্রের ছয়টি দখল করে নেয় এবং আমার এজেন্টদের বের করে জাল ভোট দেয়। এ জন্য আমি ভোট বর্জন করলাম।’
অন্যদিকে সাগরকান্দি ইউনিয়নের বিএনপি চেয়ারম্যান পদপ্রাথী আবদুস সালাম মোল্লা অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ প্রার্থী শাহীন চৌধুরীর সমর্থকরা আটটি কেন্দ্রের ছয়টি দখল করে নিজেরাই ব্যালট পেপারে সিল মারছে।
বিএনপি প্রার্থীর আরো অভিযোগ, তাঁর সমর্থকদের মেরে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবদুল আলীমকে মারপিট করে জখম করেছে শাহীন চৌধরীর সমর্থকরা।
আবদুস সালাম অভিযোগে বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে আমি ভোট বর্জন করলাম।’
বোরুলিয়া ভোটকেন্দ্রে দুই সাধারণ সদস্য পদপ্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় প্রায় আধাঘণ্টা ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকে এবং পরে আবার ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
এদিকে নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের নাওয়াপাড়া গ্রামের ভোটকেন্দ্রের পাশ থেকে গুলিভর্তি পিস্তলসহ কামরুজ্জামান টিটু (৩৫) নামের একজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।