Beta

ক্ষণে ক্ষণে চোখ ভেজাচ্ছেন বুয়েট শিক্ষার্থীরা

০৯ অক্টোবর ২০১৯, ১৭:৪৪ | আপডেট: ০৯ অক্টোবর ২০১৯, ২০:৩৪

মাসুদ রায়হান পলাশ
আবরার ফাহাদকে যে রাতে পিটিয়ে হত্যা করা হয় আজ বুধবার সেই রাতের কথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন বুয়েটের এক শিক্ষার্থী। ছবি : স্টার মেইল

আবরার ফাহাদ রাব্বী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিন দিন ধরে উত্তাল হয়ে আছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ক্যাম্পাস। সহপাঠী হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে ফুসে উঠেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার সকালে বিক্ষোভ মিছিলের পর থেকে শহীদ মিনারের পাদদেশে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে তারা।

ওই কর্মসূচিতে আবরারকে নিয়ে নানা আবেগে বক্তব্য দিচ্ছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দেওয়া বক্তব্য শুনে চোখ ভিজে যাচ্ছে অন্য শিক্ষার্থীদের।

দুপুর দেড়টার দিকে অবস্থান কর্মসূচিতে এমনই দেখা যায়। আলী আম্মার নামের বুয়েটের এক শিক্ষার্থী আবরারকে নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। আবেগময় কথার ফাঁকে কেঁদে ফেললেন আম্মার। সে সময় পুরো অবস্থানস্থল নীরব হয়ে যায়। সামনে বসে থাকা শিক্ষার্থীরাও কাঁদতে থাকে। কেউ কেউ মুখ লুকিয়ে ফেলে। কেউ আবার টিস্যু পেপার দিয়ে চোখ মুছতে থাকে।

সে সময় শিক্ষার্থীদের জমায়েতের মধ্যে সাথী নামের বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে কাঁদতে দেখা যায়। তাঁর পাশের বসে ছিলেন তাঁর তিন বান্ধবী। এই দৃশ্য দেখে তাঁরাও কাঁদতে শুরু করেন।

কিছু সময় পর সাথী এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘আবরারকে নিয়ে কোনো কথা আর সহ্য করতে পারছি না। বুকটা ফেটে যাচ্ছে। রাতে ঘুম হচ্ছে না। আবরারকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি। সে পুরো ক্যাম্পাসের সবচেয়ে ভদ্র ছেলে। অথচ তাঁকেই পিটিয়ে মারা হলো। এই ঘটনা সহ্য করার মতো নয়।’

এর কিছু সময় পরই আম্মারের হাত থেকে মাইক্রোফোন নিয়ে নেন আবির নামের আরেকজন। তখন আবরার হত্যায় জড়িতদের সর্বোচ্চ দাবি করে জ্বালাময়ী বক্তব্য দেন আবির। সে সময় আবার ফুসে ওঠে আন্দোলনস্থল। সবাই চিৎকার করে তাদের দাবি জানাতে থাকে।

স্লোগানে স্লোগানে খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তিসহ উপাচার্যের পদত্যাগের দাবি জানাতে থাকে বুয়েট শিক্ষার্থীরা।

Advertisement