Beta

ডার্ক হর্স পাকিস্তান, কতদূর যাবে?

২১ মে ২০১৯, ১৭:২৫ | আপডেট: ২১ মে ২০১৯, ১৭:৫০

স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সেরা সাফল্য এসেছিল ১৯৯২ সালে। ইমরান খানের নেতৃত্বে সেবার তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এর পর আর বড় কোনো অর্জন ঘরে তুলতে পারেনি তারা। ১৯৯৯ সালের রানার্সআপ সাফল্য বাদ দিলে বেশিরভাগ সময়ই খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল তাদের। এবারের আসরের ডার্ক হর্স পাকিস্তান। কতদূর যেতে পারে তারা?

সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স খুব একটা ভালো না তাদের। ইংল্যান্ডের কাছে সদ্য সমাপ্ত ওয়ানডে সিরিজে ৪-০ তে হেরেছে তারা। বিশ্বকাপের তাদের এমন পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তারপরও পাকিস্তান সম্পর্কে আগাম মন্তব্য করা খুবই দুষ্কর। এই দলটি এমন, যেকোনো মুহূর্তে ঘুরে দাঁড়াতে পারে। হয়তো বিশ্বকাপে ভালো কিছু করতে পারে তারা। তাদের সেই সামর্থ্য আছেও।

তা ছাড়া ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে তাদের ভালো কিছু অনেক রেকর্ড রয়েছে। বিশেষ করে ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে শিরোপা জিতেছিল তারা। সে দলটি এবার ভালো কিছু করলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সাফল্য-ব্যর্থতা : 

১৯৭৫, ২০০৩ ও ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তান গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল। ১৯৯৬ ও ২০১৫ সালে দুবার কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল। রানার্সআপ হয়েছে ১৯৯৯ সালে। ১৯৭৯, ১৯৮৩, ১৯৮৭ ও ২০১১ সালের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছিল তারা। বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সাফল্য ১৯৯২ সালে। ইমরান খানের নেতৃত্বে এ আসরে শিরোপা জয় করে পাকিস্তান।

বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন সংগ্রহ

বিশ্বকাপে এক ম্যাচে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ ৩৪৯। ২০০৭ বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই রেকর্ড গড়েছিল তারা। দলীয় সর্বনিম্ন ৭৪ রান, ১৯৯২ বিশ্বকাপে এডিলেডে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করেছিল তারা।

ব্যক্তিগত রেকর্ড

বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ সংগ্রহ ১৬০ রান। ইমরান নাজির খেলেছিলেন ২০০৭ বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। আর সেরা বোলিং শহিদ আফ্রিদির। কেনিয়ার বিপক্ষে ১৬ রানে ৫ উইকেট শিকার করেন তিনি। তবে সবচেয়ে সফল জাভেদ মিয়াঁদাদ ও ওয়াসিম আকরাম। বিশ্বকাপে জাভেদ মিয়াঁদাদ এক সেঞ্চুরি ও নয় হাফসেঞ্চুরিতে ১০৮৩ রান করেন। আর ৫৫ উইকেট শিকার করেন ওয়াসিম আকরাম।

তিনটি করে সেঞ্চুরি করে বিশ্বকাপে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের মধ্যে যৌথভাবে শীর্ষে আছেন রমিজ রাজা এবং সাঈদ আনোয়ার। সবচেয়ে বেশি নয়টি হাফ সেঞ্চুরি জাভেদ মিয়াঁদাদের।

Advertisement