Beta

ব্রাজিলে খনির বাঁধ ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪, নিখোঁজ ৩০০

২৭ জানুয়ারি ২০১৯, ০৮:৫৬ | আপডেট: ২৭ জানুয়ারি ২০১৯, ১০:২৬

অনলাইন ডেস্ক

ব্রাজিলের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে মিনাস জেরাইস প্রদেশে লৌহ-আকরিক খনির বাঁধ ভেঙে নিহতের সংখ্যা ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার করা হয়েছে ৪৬ জনকে।

ব্রাজিলের ফায়ারফাইটার কর্তৃপক্ষের দেওয়া এসব তথ্য দিয়ে বার্তা সংস্থা থমসন রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ২৩ জনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গত শুক্রবার প্রদেশের ব্রুমাদিনহো শহরে ওই বাঁধ ধসের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাকবলিত খনিটির স্বত্বাধিকারী ব্রাজিলের সর্ববৃহৎ খনি কোম্পানি ‘ভেল’।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানায়, নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকেই শ্রমিক। তাঁরা সে সময় বাঁধসংশ্লিষ্ট ক্যাফেটেরিয়ায় দুপুরের খাবার গ্রহণ করছিলেন।

দুর্ঘটনার ফলে বিপুল কাদা নদীর মতো সংশ্লিষ্ট এলাকার ছড়িয়ে পড়ে। ডুবিয়ে দেয় ভবন, রাস্তাঘাট, যানবাহন  সবকিছু। জরুরি বাহিনী অনেককে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে উদ্ধার করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এরই মধ্যে নিম্নাঞ্চলে বসবাসরত অধিবাসীদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

কেন এ দুর্ঘটনা ঘটল, তার যথার্থ কারণ এখনো জানা যায়নি। খনিপ্রধান এ দুর্ঘটনাকে ‘ভয়াবহ দুঃখজনক’  বলে অভিহিত করেছেন। 

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নিখোঁজদের আত্মীয়স্বজন বাঁধ এলাকায় জড়ো হয়েছেন। ডজনখানেক হেলিকপ্টার উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছে।

ব্রুমাদিনহোর মেয়র আভিমার দে মেলো ব্রাজিলভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল গ্লোবো নিউজকে জানান, ‘প্রতিমুহূর্তে পরিস্থিতি বদল হচ্ছে। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে, দ্রুততার সঙ্গে নিখোঁজ লোকজনকে খুঁজে বের করা।’

এরই মধ্যে দেশটির পরিবেশ, খনি ও জ্বালানিমন্ত্রী এবং আঞ্চলিক উন্নয়নমন্ত্রী দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

তিন বছর আগে মিনা জেরাইস প্রদেশে আরো একটি বাঁধ ধসের ঘটনা ঘটে। সে সময় ১৯ ব্যক্তি নিহত হন।

Advertisement