Beta

এখন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পালা : মোদি

১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২২:১৩

অনলাইন ডেস্ক
সোমবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক বক্তব্যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন। ছবি : সংগৃহীত

ভয়াবহ জঙ্গি হামলার রেশ কাটতে না কাটতেই, এবার ভারত শাসিত জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামায় বন্দুকযুদ্ধে এক সেনা কর্মকর্তাসহ চার জওয়ান ও দুজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

এমন পরিস্থিতিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, আলোচনার সময় শেষ, এখন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পালা।

সোমবার ভারত সফররত আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেওয়া যৌথ এক বিবৃতিতে পুলওয়ামায় হামলায় ইন্ধনদাতা হিসেবে পাকিস্তানকে আবারও দায়ী করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

মোদি বলেন, আলোচনার সময় শেষ। এখন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পালা। পুলওয়ামার জঙ্গি হামলা আমাদের এই বার্তা দেয়। সারা দুনিয়ায় জঙ্গিবাদ এবং এর সমর্থকদের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই করতে হবে।

এদিকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আজকের বন্দুকযুদ্ধে জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহাম্মদের দুই সদস্যও নিহত হয়েছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীর দাবি, নিহত দুই জঙ্গির মধ্যে পুলওয়ামায় হামলার মূল পরিকল্পনাকারী কামরানও রয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার পুলওয়ামায় ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী সিআরপিএফের গাড়ি বহরে আত্মঘাতী জঙ্গি হামলার পর চতুর্থ দিনের মতো কারফিউ চলছে ভারত শাসিত জম্মু ও কাশ্মীরে।

থমথমে এই পরিস্থিতির মাঝেই রোববার রাতে পিংলান গ্রামের একটি বাড়িতে বেশ কয়েকজন জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে, এই খবরের ভিত্তিতে তল্লাশি অভিযান শুরু করে ভারতের সেনাবাহিনী। তল্লাশি অভিযানের একপর্যায়ে, সন্দেহভাজন জঙ্গিরা সেনাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে। দুই পক্ষের বন্দুকযুদ্ধে মৃত্যু হয় এক মেজর ও তিন জওয়ানের। বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয় জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহাম্মদের দুই সদস্যও। সেনাবাহিনীর দাবি, নিহত দুই জঙ্গির মধ্যে পুলওয়ামায় হামলার মূল হোতা জয়েশ-ই-মহাম্মদের কমান্ডার আব্দুল রশিদ গাজী ওরফে কামরান রয়েছেন। যিনি জইশ মহাম্মদ গ্রুপের শীর্ষ নেতা মাওলানা মাসুদ আজহারের ঘনিষ্ট মিত্র হিসেবে পরিচিত।

দুই পক্ষের বন্দুকযুদ্ধে প্রাণ হারান দুই স্থানীয় নাগরিকও। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানকে সফল হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

এর মাঝে পুলওয়ামা হামলার বিষয়টির পরিষ্কার ধারণা নিতে ভারতে নিযুক্ত হাইকমিশনারকে ইসলামাবাদে ডেকে পাঠিয়েছে পাকিস্তান। এরপর সোমবার সকালের দিকেই তিনি নয়াদিল্লি ত্যাগ করেছেন।

Advertisement