Beta

এবার সৌদি আরবে দুটি তেলপাম্পে ড্রোন হামলা

১৪ মে ২০১৯, ২৩:৩০

রয়টার্স
সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজায়লাহ বন্দর। ছবি : রয়টার্স

সৌদি আরবের রিয়াদের অদূরে রাষ্ট্রীয় জ্বালানি সংস্থা আরামকোর দুটি তেলপাম্পে মঙ্গলবার ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা।  

দুদিন আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত উপকূলে সৌদি আরবের দুটিসহ চারটি তেলবাহী জাহাজে অন্তর্ঘাতমূলক হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনাগুলো ভেতরের কেউই ঘটাচ্ছে বলে ধারণা করছে সৌদি আরব।

অন্যদিকে ইরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সমরাস্ত্রের হাজিরার সঙ্গে এই ঘটনার কোনো যোগসাজশ থাকার বিষয়টিও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

এদিকে আজকের হামলার খবরে বিশ্ববাজারে বেড়ে গেছে জ্বালানি তেলের দাম। রিয়াদের ২০০ মাইল পশ্চিমের দুটি তেলপাম্পের হামলার পর বিকেলে দাম ১ দশমিক ২০ শতাংশ বেড়ে যায়।

সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী খালিদ আল ফালিহ বলেছেন, মঙ্গলবার রিয়াদের নিকটবর্তী এলাকায় ও রোববার আমিরাতের ফুজায়লাহ প্রদেশের উপকূলীয় তেলশোধন কেন্দ্রের জাহাজে হামলার ঘটনাগুলোর ফলে তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা হুমকির মধ্যে পড়তে যাচ্ছে।

এক বিবৃতিতে সৌদি জ্বালানিমন্ত্রী আরো বলেন, এসব হামলা ইয়েমেনে ইরানি মদদপুষ্ট হুতি মিলিশিয়াদের মতো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে আমাদের লড়াইয়ের গুরুত্ব আবারও প্রমাণ করেছে।

এর আগে হুতি পরিচালিত মাসিরাহ টিভি জানায়, ইয়েমেনে আগ্রাসন ও অবরোধের প্রতিবাদে গোষ্ঠীটি গুরুত্বপূর্ণ সৌদি স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

এর আগে সৌদি আরবে হুতি গোষ্ঠীর মদদে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হলেও সৌদি আরামকোর স্থাপনায় হামলার ঘটনা এই প্রথম।

দুটি পাম্পে হামলার পর সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ অপরিশোধিত তেল সরবরাহের পাইপলাইন ‘পেট্রলাইন’ বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেষে তা আবার চালু করা হবে। এই পেট্রলাইনের মাধ্যমে পূর্বাঞ্চল থেকে উত্তরের বাব আল-মানদেবে অপরিশোধিত তেল পাঠানো হয়।

চার বছর ধরে ইয়েমেনে হুতি সরকারের পতনে হামলা পরিচালনা করে আসছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। এই সংঘাতকে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যকার প্রক্সি যুদ্ধ হিসেবেই দেখা হয়।

Advertisement