Beta

আমেরিকা, ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশে ইমিগ্রেশন, জেনে নিন বিস্তারিত

০২ জুলাই ২০১৯, ১৩:১৪ | আপডেট: ০৩ জুলাই ২০১৯, ১১:৫২

অনলাইন ডেস্ক

পৃথিবীর এই উন্নত দেশগুলোতে আপনি যে কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা বা বয়সের হলেও ভিজিট কিংবা বিজনেস ভিজিট ভিসায় সহজেই সেখানে যাবার ভিসা পেতে পারেন। অথবা উন্নত বিশ্বে লেখাপড়া করে নিজের ভবিষ্যৎ করতে পারেন সুনিশ্চিত। এ ছাড়াও আপনি ইমিগ্র্যান্ট হয়ে যেতে চাইলে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স, আর্থিক সামর্থ্যের মাপকাঠিতে নির্ধারণ হবে আপনার স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু?

এ বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, আন্তর্জাতিক অভিবাসন ও কোম্পানি আইন বিশেষজ্ঞ, সাউথ এশিয়ান ল’ ইয়ার্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নাগরিকদের ভিজিট, স্টুডেন্ট ও ফ্যামিলি মাইগ্রেশন সংক্রান্ত আইনগত পরামর্শ দিয়ে আসছেন। আপনি আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এবং কিছু পদ্ধতি ও আইন মেনে আবেদন করে পরিবারসহ পৃথিবীর অনেক দেশেই মাইগ্রেশন করার সুযোগ নিতে পারেন।

পড়াশোনা করুন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে:

অনেকে বিদেশে পড়াশোনা করতে চায় শুধু বিদেশি নাগরিকত্ব ও ভালো একটি চাকরির প্রত্যাশায়। আপনার সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে আপনি আমাদের কাছে অভিবাসন সংক্রান্ত আইনি পরামর্শ ও সহযোগীতার জন্য আসতে পারেন। আপনার যোগ্যতা ও পছন্দ অনুযায়ী আমরা বিশ্বের যেকোনো দেশে ওয়ার্ল্ড র্যাংকিংএ  থাকা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির ব্যবস্থা করতে পারবো।

সাধারণত বাংলাদেশি ছেলেমেয়েদের কাছে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইউকে, আমেরিকা, মাল্টা, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, জার্মানির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোই থাকে পছন্দের শীর্ষে। ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিকেল, বিজনেস, আইটি, আইন ইত্যাদি যেকোনো বিষয়ে পড়াশোনা করতে পারেন। এ ছাড়াও আপনি জার্মানি কিংবা ইউকে গিয়ে জার্মান কিংবা ইংরেজি ভাষা শিখতে পারেন বিশেষ ভিসায়।

আপনার সুবিধার্থে আমরা আপনার ভিসা এ্যাপলিকেশন সাবমিশনের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের ইমিগ্রেশন আইন অনুযায়ী আপনার সমস্ত ডকুমেন্ট রেডি করাসহ আপনার ফাইল ভিসা সাবমিশনের জন্য প্রস্তুত করে দিতে পারি। স্টুডেন্ট ভিসা সংক্রান্ত একটি পূর্ণাংগ গাইডলাইনের জন্য আপনি নিশ্চিন্তে আসতে পারেন আমাদের কাছে।

সাব-ক্লাস-৪৮২ অধীনে অষ্ট্রেলিয়ায় কাজ ও বসবাস করার সুযোগ:

অস্ট্রেলিয়ায় বৈধভাবে কাজ করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত প্রোগ্রাম সাব-ক্লাস-482। এই ভিসার ক্ষেত্রে ভিসাপ্রার্থীকে অবশ্যই টিএসএস ভিসার পেশা তালিকার জন্য একটি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক মনোনীত হতে হবে। এই ভিসার জন্য আইইএলটিএসে প্রতিটি ব্যান্ডে ৫ বা সমমানের ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা থাকতে হবে। এই প্রোগ্রামের অধীনে যারা অষ্ট্রেলিয়ায় যাবে তারা পরবর্তীতে সাব-ক্লাস ৪৯১ অধীনে স্থায়ী হবার সুযোগ পেতে যাচ্ছে। 

সাব-ক্লাস-482 সম্পর্কে অ্যাডভোকেট শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, মূলত ডিগ্রি পাসধারী দক্ষ ও অভিজ্ঞ বাংলাদেশিদের জন্য এটা বিরাট সুযোগ। বাংলাদেশিরা যদি প্রথম থেকেই দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে ফাইল প্রসেস করে তবে স্বল্প সময়ে এই ভিসা পাওয়া নিশ্চিত। তিনি আরো বলেন, যেহেতু অস্ট্রেলিয়া ডিমান্ড লিস্টে ৪৩২টি পেশা রয়েছে, সুতরাং অনেকেই বিভিন্ন সাব-ক্লাসে আবেদন করে পরিবারসহ অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস করার সুযোগটি নিতে পারেন। যেমন: এমপ্লয়ার স্পন্সরশিপ, এমপ্লয়ার নমিনেশন স্কিম (186),  স্কিল্ড ইনডিপেনডেন্ট ভিসা 189, 190, স্কিল্ড রিজিওনাল ভিসা (সাব-ক্লাস 489), রিজিওনাল স্পন্সরড মাইগ্রেশন স্কিম (187) । এ ক্ষেত্রে সবাইকে প্রতারকদের হাত থেকে সাবধানে চলার জন্য তিনি উপদেশ দেন। অস্ট্রেলিয়া মাইগ্রেশনের একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি ভিসা নিয়ে আগমনের সঙ্গে সঙ্গে আপনার সন্তানরা কিন্তু প্রতি মাসে সোশ্যাল বেনিফিট পাওয়া শুরু করবে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দেশটির বিনামূল্যের স্বাস্থ্যসেবা পরিবারের সব সদস্যের জন্য।

এ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়াতে ৫০০+ ক্যাটাগরিতে জব অফার নিয়ে আবেদন করার সুযোগ তো রয়েছেই।

স্কিল্ড মাইগ্র্যান্ট প্রোগ্রামে স্থায়ী হতে পারেন নিউজিল্যান্ড:

নির্দিষ্ট সময় পর পর স্কিলড মাইগ্রেশন ক্যাটাগরিতে ড্র অনুষ্ঠিত হয়। বছরে প্রায় কয়েক হাজার পরিবার এ প্রোগ্রামের আওতায় নিউজিল্যান্ডের স্থায়ী নাগরিকত্ব (পিআর) পেয়ে থাকেন। এই ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশিরাও নিউজিল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ নিতে পারেন।

স্কিলড মাইগ্রেশন ক্যাটাগরি সম্পর্কে ও এই আবেদনের শিক্ষাগত ও অন্যান্য যোগ্যতা সম্পর্কে জানানো হয় নিউজিল্যান্ডের সরকারি ওয়েবসাইটে। এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ আইনজীবীর সহায়তা গ্রহণ করতে পারেন। নিউজিল্যান্ডে সম্ভাব্য পেশার মধ্যে রয়েছে জেনারেল প্র্যাকটিশনার, প্যাথলজিস্ট, সাইকোথেরাপিস্ট, সোনোগ্রাফারসহ আরো কিছু খাত। নিউজিল্যান্ড সরকারের ওয়েবসাইটে দেশটিতে চাহিদা থাকা বিভিন্ন পেশার কথা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া স্টুডেন্ট ভিসা নিয়েও পড়াশোনা করতে পারেন দেশটিতে।

বিদেশে চাকরি নিয়ে যাওয়া বা পরিবারসহ বসবাস করা যাদের স্বপ্ন তারাই আমাদের আইনগত সহায়তা ও পরামর্শ নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডে ঢাকার উত্তরা অফিসে। আপনি আগ্রহী থাকলে দেরি না করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আন্তর্জাতিক অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ, ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে ০১৯৯৩৮৪৩৩৪০, ০১৯৮৭৭১৪২৯০,  ০১৭০৮০৬২২৫৮, ০১৭৮৫৭০০৭৫৮, ০১৯৬৬০৪১৫৫৫ এই নম্বরে ফোন করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট গ্রহণ করা যাবে অথবা পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত পাঠাতে পারেন এই ই-মেইল chairman@worldwidemigration.org ঠিকানায়।

সরাসরি কথা বলতে পারেন ঢাকার উত্তরায় ৭ নম্বর সেক্টরের ৫১ সোনারগাঁও জনপথে অবস্থিত খান টাওয়ারে অবস্থিত ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের কার্যালয়ে।

Advertisement