বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে

স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপিত হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
আজ শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) এই দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দীন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার মো. এনামুজ্জামান প্রমুখ।
সভাপতি বক্তব্যে উপাচার্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চেতনা ধারণ করে দেশপ্রেমের আদর্শে নিজেদের জীবন গড়ে তুলতে সবার প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এর মাধ্যমেই জন্ম দিবস উদযাপন সার্থক হবে। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মের পর থেকে সংক্ষিপ্ত জীবনে পর্যায়ে পর্যায়ে অনেক চড়াই উৎড়াই পেরিয়ে বঙ্গবন্ধু যে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন, তা অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে।
উপাচার্য বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, বঙ্গবন্ধু জীবনের একটি মুহূর্তও অযথা ব্যয় করেননি। তাঁর জীবনাদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত করে বলেন, একটি কুচক্রী মহল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করেছিল। মহলটি তাঁর আদর্শকে হত্যা করতে পারেনি।
অধ্যাপক আখতারুজ্জামান আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু সত্যের পথ অবলম্বন করেছেন, সত্য থেকে বিচ্যুত হননি। তাই আজকের প্রজন্মের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মূল্যবোধের সেতুবন্ধন তৈরি করে দিতে হবে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে তা অব্যাহত রেখে আমাদের দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখতে হবে। আমাদের দায়িত্ব পূরণের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু সাধারণ মানুষের প্রতি যে মমতা ও অঙ্গীকার রেখেছেন- অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে আমাদের সবাইকে কর্মের মধ্য দিয়ে সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে। জন্মদিনের শুরুতে গতকাল রাত ১২টা ১ মিনিটে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে কেক কাটার মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসূচি। অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল- সকালে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা, শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা প্রভৃতি।