হাথুরুসিংহের হাত ধরে শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ-স্বপ্ন

চন্ডিকা হাথুরুসিংহের পরশে শ্রীলঙ্কা দলের ভাগ্যটাই যেন পাল্টে গেছে। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়েই চলছিল শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট। বাংলাদেশের মাঠে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুউসের দল মোটেও ফেভারিট ছিল না। কিন্তু নতুন কোচের অধীনে ত্রিদেশীয় সিরিজসহ সফরকারীরা বগলদাবা করেছিল টেস্ট আর টি-টোয়েন্টি সিরিজটাও। হাথুরুসিংহের এমন সাফল্যে স্বভাবতই অভিভূত শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটপ্রেমীরা।
শেষ কয়েক মাস শ্রীলঙ্কা দলের অবস্থাটা ছিল শোচনীয়ই। ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের কাছে হারতে হয়েছিল ওয়ানডে সিরিজ। ভারতের বিপক্ষেও নিজেদের মাঠে লঙ্কা দল দেখা পায়নি সাফল্যের। নতুন কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের অধীনে বাংলাদেশের মাঠে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচেও হেরে যায় সফরকারীরা।
এর পরই কোন জাদুমন্ত্রের বদৌলতে বদলে গেল গোটা দলটা। ফাইনালের ঠিক আগের ম্যাচটাতেই বাংলাদেশকে হাথুরুসিংহের দল অলআউট করে দিয়েছিল মাত্র ৮২ রানেই। চট্টগ্রাম টেস্টে ড্র আসলেও ঢাকা টেস্টটা স্বাগতিকদের গুঁড়িয়ে দিয়েই জয় পেয়েছিল শ্রীলঙ্কা। আর বাকি দুই ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের দুটিই দাপটের সাথে জিতে নিয়ে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করেই দেশে ফিরে যায় হাথুরু এন্ড কোং। নিদাহাস ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচটাও ভারতকে পরাজিত করেই সিরিজে শুভ সূচনা পেয়েছে স্বাগতিকরা।
অবশ্য শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের সহসভাপতি মনে করছেন জাদুমন্ত্র নয়, বরং হাথুরুসিংহের শিষ্টাচারই দলকে বদলে দিয়েছে। মোহান ডি সিলভা জানিয়েছেন কোচের এমন সাফল্যে লঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড স্বপ্ন দেখছে ৫০ ওভারের বিশ্বকাপেও ভালো কিছু করার।
মোহানের ভাষ্যে, ‘দেখুন হাথুরুসিংহে এসে কিন্তু দলে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে। সে সফলও হয়েছে আর ক্রিকেট বোর্ড তো সাফল্যই চায়। হাথুরু খুবই সুশৃঙ্খল একজন কোচ। তাঁর অধীনে দল যেভাবে এগোচ্ছে, তাতে আমাদের নজর এখন ২০১৯ সালের বিশ্বকাপে।’