Beta

কোটা আন্দোলনকারীদের পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি স্থগিত

১৯ মে ২০১৮, ১৪:০১

ঢাবি সংবাদদাতা
বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের পক্ষ থেকে আজ শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। ছবি : এনটিভি

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা রমজান মাস ও সেশনজটের কথা বিবেচনা করে পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি স্থগিত করেছে। কিন্তু প্রজ্ঞাপন না হওয়া পযন্ত ক্লাস বর্জন কর্মসূচি চলমান থাকবে বলেও জানায় তারা।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্লাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের পক্ষ থেকে আজ শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

এ সময় পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নূরুল হক নূর ঢাবির উপাচার্য ও প্রক্টর ‘গুজবের মহানায়ক’ বলে উল্লেখ করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘গত ১০ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুফিয়া কামাল হলের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় উপাচায ও প্রক্টর সেই সময়ে হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইফফাত জাহান এশাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করেন। কিন্তু কী অদৃশ্য কারণে জানি না রাতের বেলা যে কথা বলেছেন সকাল বেলা উপাচার্য ও প্রক্টর স্যার তাঁদের কথা ঘুরিয়ে নিলেন। না, এশা এটা করেননি। বরং আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, আরো ২৫ জন ছাত্রীকে এশাকে হেনস্তার অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাধারণ ছাত্রীদের আন্দোলনের কারণে হয়রানি করার জন্য এই ২৫ জনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলেও মনে করেন যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি বলেন, ‘তারা নাকি অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে গুজব ছড়িয়েছে। আমি বলি, তারা যদি গুজব ছড়ায় তাহলে ভিসি স্যার ও প্রক্টর স্যার গুজবের মহানায়ক।’

‘কারণ, ঘটনার দিন রাতে ঘটনার পর পরই ঢাবি ভিসি ও প্রক্টর গণমাধ্যমে বিষয়টি স্বীকার করে  বলেছিলেন, এশা যে দোষী তা তাঁরা প্রমাণ পেয়েছেন। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাহলে সেদিন সত্য তথ্য উদঘাটন না করে কিসের ভিত্তিতে বহিষ্কার করেছিলেন। নাকি কোনো প্রভাবশালী গোষ্ঠীর চাপে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছেন। তা জাতির কাছে প্রশ্ন।’

সংগঠনের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন বলেন, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ব্যানারে কোটা সংস্কারের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মারধর, নির্যাতন হল ত্যাগের হুমকি দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। একটি অতিউৎসাহী ও কুচক্রি মহল সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলার জন্য এসব নোংরা ও ঘৃণ্য কাজ করে যাচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

পাশাপাশি সুফিয়া কামাল হলে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কারণ দর্শানোর নামে সাধারণ শিক্ষর্থীদের হয়রানি না করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অনুরোধ জানান আন্দোলনকারীরা।

ইউটিউবে এনটিভির জনপ্রিয় সব নাটক দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Advertisement