বিশ্বকাপে ম্যাচ পাতানো ঠেকাতে মরিয়া আইসিসি

ক্রিকেট বিশ্বকাপ যেন কোনোভাবেই ম্যাচ পাতানোর মাধ্যমে কলুষিত না হয় সেজন্য সচেষ্ট আইসিসি। ক্রিকেট মাঠে কারা ম্যাচ পাতানোর বিষবাষ্প ছড়ায় সে ব্যাপারেও আইসিসির ভালো ধারণা আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী ডেভ রিচার্ডসন।
২০১০ সালে ইংল্যান্ড সফরে স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন পাকিস্তানের সে সময়ের অধিনায়ক সালমান বাট ও তাঁর দুই সতীর্থ মোহাম্মদ আসিফ ও মোহাম্মদ আমির। ২০১৩ সালে ভারতের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা আইপিএলও তোলপাড় হয়েছিল ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগে।
ওয়ানডে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতা বিশ্বকাপ যেন বাজিকরদের কালো হাতে কলুষিত না হয়, সে জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে আইসিসি। বুধবার নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে এক সংবাদ সম্মেলনে রিচার্ডসন বলেন, ‘আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিট এই প্রতিযোগিতাকে ঘিরে যে রকম প্রস্তুতি নিয়েছে, তেমনটা আগের কোনো আসরে দেখা যায়নি। কোন মানুষগুলো বাজিকরদের সুবিধার জন্য সারা দুনিয়া ঘুরে-ঘুরে খেলোয়াড়, আম্পায়ার আর পিচ কিউরেটরদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করে সে সম্পর্কে দুর্নীতি দমন ইউনিটের খুব ভালো ধারণা আছে।’
ম্যাচ পাতানো ঠেকানোর জন্য বিশ্বকাপের দুই আয়োজক অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেট কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিন বছর ধরে কাজ করছে আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিট (আকসু)। এবারের বিশ্বকাপে বাজিকররা কিছুতেই ক্রিকেটারদের কাছে ঘেঁষতে পারবে না বলে ক্রিকেটপ্রেমীদের আশ্বস্তও করেছেন ১৯৯২ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটরক্ষক রিচার্ডসন, ‘ম্যাচ পাতানোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমাদের অবস্থান এখন অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি শক্ত। খেলোয়াড়দের নাগাল পাওয়া খুবই কঠিন করে দিয়েছি আমরা।’