ডা. সাবরীনাকে ডিভিশন দেওয়ার নির্দেশ

Looks like you've blocked notifications!
জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরীনা আরিফ। ফাইল ছবি

নভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) নমুনা পরীক্ষা না করে ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে কারাগারে থাকা জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরীনা আরিফকে কারাবিধি অনুযায়ী ডিভিশন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সরাফুজ্জামান আনছারী এই নির্দেশ দেন।

সাবরীনার আইনজীবী ফারুক আহম্মেদ এনটিভি অনলাইনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আজ আদালতে সাবরীনার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। সাক্ষ্য গ্রহণের পরে আমরা আদালতে সাবরীনার ডিভিশনের ব্যাপারে আবেদন করেছি। আবেদনে বলেছি, যেহেতু সাবরীনা সরকারি গেজেটেড অফিসার তাই কারাবিধি অনুসারে তাঁর ডিভিশন প্রাপ্য। এরপর আদালত কারাবিধি অনুসারে ডিভিশন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।’

এ ছাড়া, মামলার রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) আজাদ রহমান আজ এনটিভি অনলাইনকে বলেন, আজ এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন মো. ইয়াছিন নামের এক ব্যক্তি। তিনি কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ নিয়ে এ মামলায় পাঁচজন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

এদিকে আজ ডা. সাবরীনা-আরিফসহ সব আসামিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়।

গত ২৩ জুন সাবরীনার স্বামী আরিফুল হক চৌধুরীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। এরপর গত ১২ জুলাই ডা. সাবরীনাকে ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগীয় উপকমিশনারের (ডিসি) কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে তেজগাঁও থানায় করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

এরপর গত ৫ আগস্ট মামলার তদন্ত সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রট আদালতে ডা. সাবরীনা, সিইও আরিফুল হক চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার অপর ছয় আসামি হলেন শফিকুল ইসলাম রোমিও, জেবুন্নেসা, আবু সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ুন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী ও বিপ্লব দাস।

অভিযোগপত্রে ডা. সাবরীনা ও আরিফুল হক চৌধুরীকে এই অসাধুচক্রের মূলহোতা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বাকিরা প্রতারণা ও জালিয়াতি করতে তাঁদের সহযোগিতা করেন বলে বলা হয়েছে।

গত ১৩ আগস্ট ডা. সাবরীনা, আরিফ চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ করেছিলেন আদালত। ওই দিন আসামিপক্ষ সময়ের আবেদন করায় বিচারক সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে নতুন দিন নির্ধারণ করেন। পরে ২০ আগস্ট আলোচিত এই মামলাটির অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচারকাজ শুরুর নির্দেশ দেন আদালত।