Beta

ঘুষের অভিযোগ প্রমাণিত হলে ডিআইজি দণ্ডিত হবেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১২ জুন ২০১৯, ১৫:২২ | আপডেট: ১২ জুন ২০১৯, ১৭:২১

নিজস্ব প্রতিবেদক
আজ বুধবার সকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। ছবি : এনটিভি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল সম্প্রতি ঘুষ ও নারী নির্যাতনজনিত বিতর্কে আলোচনায় থাকা সদ্য প্রত্যাহার হওয়া পুলিশের উপমহাপরিদর্শক মিজানুর রহমান প্রসঙ্গে বলেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পরিচালককে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে অবশ্যই তিনি দণ্ডিত হবেন।

আজ বুধবার সকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

ডিআইজি মিজান দুদক কর্মকর্তাকে ঘুষ দিয়েছেন—সম্প্রতি ফাঁস হওয়া এমন একটি অডিও স্বীকারোক্তি থাকার পরও তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, ‘আগের (নারী নির্যাতন) অভিযোগে তাঁর বিচার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তাঁর ডিপার্টমেন্টাল বিচার চলছে এবং অন্যগুলোর ব্যাপারে দুদক ব্যবস্থা নিচ্ছে।’

‘এখন সে (দুদক কর্মকর্তাকে) ঘুষ দিয়েছে কেন, নিশ্চয়ই আরো কিছু দুর্বলতা রয়েছে; আমরা সেগুলি দেখে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। ঘুষ দেওয়া এবং নেওয়া দুইটাই অপরাধ, কাজেই সেই অপরাধে সে অবশ্যই দণ্ডিত হবে।’

এ ছাড়া সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ফেনীর নুসরাত হত্যা মামলায় অভিযুক্ত পুলিশের আরেক সদস্য সোনাগাজী থানার ওসি মোয়াজ্জেম গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘সে বাইরে যাওয়ার যত পথ আছে সব আমরা বন্ধ করে দিয়েছি। সে এখন দেশের ভেতরেই আছে, যেকোনো সময় ধরা পড়বে।’

এর আগে উদ্ভাবনী মেলা ও শোকেসিং ২০১৯ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে মেলার স্টল ঘুরে দেখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এদিকে এরই মাঝে ডিআইজি মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠা দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে দুদক।

এ বরখাস্তের পেছনে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠাই কারণ কি না জানতে চাইলে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘ঘুষের অভিযোগে তাঁকে সাসপেন্ড করি নাই, নো। আমার অফিসে থেকে, আমার অফিসের সিক্রেসি নষ্ট করলেন, বাইরে দিলেন, সেটা তো হলো না। সেটা তো আচরণবিধি লঙ্ঘন। তাঁকে সাসপেন্ড করছি সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে, অন্য কোনো কারণে না।’

অন্যদিকে ঘুষ লেনদেনের ওই অডিওকে মিথ্যা-বানোয়াট বলে দাবি করেছেন  দুদক পরিচালক এনামুল। ডিআইজি মিজান এর সত্যতা যাচাই করতে কমিশনের প্রতি আহ্বান করেছেন।

Advertisement