রাজশাহীতে ডাকাতি, ছিনতাই-চাঁদাবাজিতে জড়িত ১১ জন গ্রেপ্তার

রাজশাহী নগরীতে অভিযান চালিয়ে ডাকাতদলের নেতা আউয়ালসহ সংঘবদ্ধ ছিনতাই ও চাঁদাবাজ চক্রের ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এ সময় তাদের কাছ থেকে চারটি মোবাইলফোন, চারটি মানিব্যাগ, নগদ এক হাজার ৬৪৫ টাকা, একটি ধারালো টিপ চাকু, একটি চাঁদা আদায়ের রশিদ বই ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
আজ বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব-৫ এর অধিনায়কের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। গতকাল মঙ্গলবার রাতভর নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন—নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার হোসনিগঞ্জের আব্দুল আউয়াল ওরফে ডাকু আউয়াল (৪৫), রাণীনগর মোন্নাফের মোড়ের জিসান হোসেন (২৩), পাঠানপাড়ার নাইম ইসলাম (২৫), শরিফুল ইসলাম ওরফে সনি (৩২), দামকুড়া থানার ধুতরাবনার সম্রাট (৩৮), চন্দ্রিমা থানার আসাম কলোনির শান্ত ইসলাম (২২), মেহেরচন্ডী কড়ইতলার শাকিল খান (২৩), মতিহার থানার মাইন হোসেন আলিফ (১৯), কাশিয়াডাঙ্গা থানার আকাশ হোসেন (২৩), কাঁঠালবাড়িয়া গোবিন্দপুরের জীবন ইসলাম (১৬) ও রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার চকমোক্তারপুরের সোহাগ আলী (২৮)। এদের মধ্যে আউয়াল ডাকাতদলের সদস্য ও সম্রাট তার সহযোগী, জীবন ইসলাম কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য এবং অন্যরা ছিনতাই-চাঁদাবাজি চক্রের সদস্য।
র্যাবের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় র্যাব-৫ রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দিন-রাত রোবাস্ট পেট্রোল ও পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতভর নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাতদলের নেতা আউয়াল এবং সংঘবদ্ধ ছিনতাই ও চাঁদাবাজ চক্রের ১০ সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, আউয়াল ও তার সহযোগী সম্রাটের নামে পূর্বেও একাধিক ডাকাতি ও ছিনতাই মামলা রয়েছে। বাকিদের প্রত্যেকের নামে একাধিক মাদক, ছিনতাই ও চুরির মামলা রয়েছে। তারা সবাই রাজশাহী নগরীর নামধারী ছিনতাইকারী এবং নগর পুলিশের তালিকাভুক্ত। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে বলেও র্যাব জানিয়েছে।