তারকাদের সেলফিতে বাধাগ্রস্ত কিশোরীদের বিকাশ

তারকাদের আবেদনময়ী সেলফির কারণে শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির শিকার হচ্ছে কিশোরীরা। একই সঙ্গে ব্যহত হচ্ছে তাঁদের স্বাভাবিক বিকাশ রিহানা, কিম কার্দেশিয়ান, বিয়ন্সে, রিটা ওরাসহ পশ্চিমা নারী তারকাদের আবেদনময়ী সেলফি থেকে সেখানকার কিশোরীরা যৌনতা ও সৌন্দর্য সম্পর্কে ভুল শিখছে। এমন দাবি করেছেন মানসিক রোগের খ্যাতনামা ব্রিটশ চিকিৎসক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব তানিয়া বায়রন।
যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেক পশ্চিমা নারী মডেল আবেদনময়ী ভঙ্গিমায় ও পোশাকে ছবি তোলেন। পরে এসব ছবি পোস্ট করা হয় টুইটার, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ছবি শেয়ারের ওয়েবসাইটে। এসব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ছবিগুলো সহজেই পৌঁছে যাচ্ছে কিশোরীদের কাছে।
মনোবিদ তানিয়া বায়রনের দাবি, আবেদনময়ী এসব সেলফির কারণে নারীবাদের মৃত্যু ঘটছে। তিনি বলেন, খাওয়ায় অনিয়ম করে নিজের ক্ষতি করেছে এমন কিশোরীর সংখ্যা গত তিন বছরে ৭০ শতাংশ বেড়েছে। তারকারদের আবেদনময়ী সেলফির কারণেই কিশোরীদের মধ্যে না খেয়ে থাকার প্রবণতা দেখা যায়। তানিয়ার মনে করেন, এসব সেলফি থেকে কিশোরীরা নারীর সৌন্দর্য ও যৌনতা সম্পর্কে ভুল শিখছে।
গতকাল শনিবার ভোগ সাময়িকীকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তানিয়া বায়রন বলেন, ৫০ বছরের নারীর মধ্যে নিজেকে নারী হিসেবে প্রদর্শনের চাপ দেখা যায়। এমন অবস্থায় তারকাদের আবেদনময়ী সেলফি দেখছে ১৬ বছরের কিশোরীরাও। এসব কিশোরীর মধ্যে লেখাপড়ার চেয়ে নিজেকে সুন্দর করার প্রবণতা দেখা যায়। অনেক কিশোরী তারকাদের মতো শরীর গড়তে খাওয়ায় অনিয়ম করে।
তারকাদের প্রতিনিয়ত সেলফি দেওয়া প্রসঙ্গে তানিয়া বায়রন বলেন, অনেক তারকা প্রতি পাঁচ মিনিট পর পর সংক্ষিপ্ত পোশাকে সেলফি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন। এর মাধ্যমে তাঁরা কী বোঝাতে চান তা বোধগম্য নয়। আর সেলফিতে শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গ প্রদর্শনেরও ঘোর বিরোধী তানিয়া বায়রন।