ব্রেক্সিট
ব্রিটেনের অপ্রত্যাশিত যাত্রা

ব্রিটেন এক সময় ছিল পরাক্রমশালী পরাশক্তি। বলা হতো ‘ব্রিটিশ রাজত্বের সূর্য অস্ত যায় না’। প্রথম মহাযুদ্ধ ব্রিটেনের শক্তিকে অনেকটা ক্ষয় করে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ ব্রিটেনের পরাক্রমকে তলানিতে ঠেকিয়ে দেয়। প্রাচুর্য, পরাক্রম এবং অপ্রতিদ্বন্দ্বী সমর শক্তি ব্রিটেনকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপর নির্ভরশীল করে তোলে। যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউরোপকে ঘিরে মার্কিন ‘মার্শাল প্লান’ ব্রিটেনের জন্য আশীর্বাদ বয়ে আনে। ক্রম সম্প্রসারণশীল সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নকে মোকাবিলায় ব্রিটেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বস্ত মিত্র হয়ে দাঁড়ায়। এ সময়কালে ইউরোপ বিভক্ত হয় দুই ভাগে- (ক) সোভিয়েত প্রভাবিত পূর্ব ইউরোপ এবং (খ) মার্কিন প্রভাবিত পশ্চিম ইউরোপ। সোভিয়েত প্রভাবিত ইউরোপে নিয়ন্ত্রিত অর্থনীতি থাকার কারণে পুঁজির বিকাশ ঘটেনি। অপরদিকে পশ্চিম ইউরোপে অর্থনৈতিক অবাধ স্বাধীনতা (Laissez Fair), এর কারণে ব্যাপক উন্নয়ন পরিলক্ষিত হয়। স্নায়ুযুদ্ধের (Cold War) কারণে বিভক্ত নিরাপত্তা বলয়ও সৃষ্টি হয়। গড়ে উঠে সোভিয়েত প্রভাবাধীন ওয়ারশ’ জোট (Warshaw Pact: 1955) এবং মার্কিন প্রভাবাধীন ন্যাটো (North Atlantic Treaty Organization-NATO: 1949)
বাণিজ্যিক বিভক্তিও ঘটে। এক দিকে গড়ে ওঠে কমিকন (Council for Mutual Economic Assistance-COMECON: 1949-91), অপরদিকে ক্রম উন্নত ইইউ (European Union)। বিপর্যস্ত অর্থনীতিকে সমন্বিতকরণ এবং অনেকটা অস্ত্র নির্মাণ নিয়ন্ত্রণের তাগিদে ১৯৫১ সালে গঠিত হয় ইউরোপীয় কয়লা এবং ইস্পাত গোষ্ঠী (European Coal and Steel Group), বাণিজ্যিক সফলতার কারণে এর কার্যক্রম আরো সম্প্রসারিত হয়। ১৯৫৭ সালে গঠিত হয় ইউরোপিয় অর্থনীতি সম্প্রদায় (European Economic Community-EEC)। ইইসিকে কাঠামোগত রূপ দিতে ব্রিটেন তখন থেকেই আগ্রহী ছিল না। ইইসির বিপরীতে ব্রিটেন সহজ শর্তে ইউরোপীয় মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (European Free Trade Area-EFTA) গঠনে আগ্রহী ছিল। পরবর্তীকালে রোম চুক্তির (Treaty of Rome-1958) অধীনে ইইসিএর কাঠামোগত এবং রাষ্ট্রিক সম্প্রসারণ ঘটে।
১৯৭৩ সালে গ্রেট ব্রিটেন ইইসির সদস্যপদ গ্রহণ করে। ধীরে ধীরে সদস্য সংখ্যা ৬ থেকে ২৭-এ পরিণত হয়। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর প্রায় সব পূর্ব ইউরোপীয় দেশ ইইসির সদস্যপদ গ্রহণ করে। ১৯৯৯ সালে একক মুদ্রা ব্যবস্থা প্রবর্তনের স্বার্থে অন্তর্ভুক্ত দেশসগুলো অভিন্ন মুদ্রা ইউরো চালু করা হয়। কিন্তু গ্রেট ব্রিটেন তার পাউন্ডের প্রভুত্ব হারাতে অস্বীকার করে। পরবর্তীকালে আইন ও কাঠামোগতভাবে অর্থনৈতিক জোটটি সংহত হলেও সবসময় গ্রেট ব্রিটেন প্রতিটি ক্ষেত্রে একটি ভিন্নতর অবস্থান নির্ণয় করছিল। ১৯৯২ সালে স্বাক্ষরিত ম্যাসট্রিস্ট চুক্তি (Maastricht Treaty -1993) অনুযায়ী ইইসির পরিবর্তিত নাম ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (European Union-EU) ।
তথ্য বিপ্লব এবং বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য সম্প্রসারণের ফলে ইইউ বর্তমান পৃথিবীতে একটি তাৎপর্যপূর্ণ অবস্থান অর্জন করে। সাম্প্রতিক কালে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ইউরোপে যে অভিবাসীর প্লাবন সৃষ্টি হয় সে প্লাবনে দ্বীপরাষ্ট্র গ্রেট ব্রিটেনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রধানত মুসলিম অভিবাসী জনগোষ্ঠী ইউরোপের মান-মর্যাদার জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দেয়। বিশেষত ব্রিটেনে মুসলিম বিরোধী সেন্টিমেন্ট লক্ষ করা যায়। সেখানে ইতিমধ্যে কয়েকটি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। অনেক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক তাৎক্ষণিকভাবে অভিবাসী ইস্যুকে ‘ব্রেক্সিট’-এর কারণ বলে মনে করেন। বিবিসির বিশ্লেষণে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়া বা ‘ব্রেক্সিট’ সমর্থকদের জয়ের আটটি কারণ নির্ধারণ করেছেন। (১) ব্রিটেন ইইউ ত্যাগ করলে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটে নিপতিত হবে- এ রকম বক্তব্য সন্তোষজনকভাবে প্রমাণ করতে পারেননি ব্রেক্সিট বিরোধীরা। (২) ইইউ ছাড়লে ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের খরচের জন্য ৩৫ কোটি ব্রিটিশ পাউন্ড পাওয়া যাবে বলে ব্রেক্সিটপন্থীরা প্রচার চালান। ভোটারদের সহজে আকৃষ্ট করতে এই প্রচারণা বেশ কাজে লেগেছে বলে মনে করা হচ্ছে। (৩) ব্রেক্সিটপন্থীরা অভিবাসন সমস্যাটিকে তুরুপের তাস হিসেবে ব্যবহার করেছেন। এ সম্পর্কে আগেই উল্লেখ করা হয়েছে।(৪) প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন সম্ভবত এতটাই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন যে তিনি এ বিষয়ে যে সর্বোচ্চ মনোযোগ দেওয়ার দরকার ছিল তা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। বিরোধী লেবার পার্টির ৯০ শতাংশ এমপি ইইউর পক্ষে থাকলেও তাঁরা যথার্থ জনমত গঠনে ব্যর্থ হয়েছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন এবং লন্ডনের সদ্য জয়ী মেয়র সাদেক খানের প্রচারে সাফল্য আসেনি। (৬) ব্রিটিশ মন্ত্রিসভা তথা রক্ষণশীল দলের দুজন ব্যক্তিত্ব মাইকেল গোউফ ও বরিস জনসনের প্রচার জনপ্রিয়তা পায়। রক্ষণশীলরা অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণে ব্যর্থ হয়। (৭) বিশ্লেষকরা বলছেন- ব্রিটিশ ঐতিহ্যের প্রতি অনুগত প্রবীণরা অধিকতর হারে গণভোটে অংশগ্রহণ করেছেন ব্রেক্সিটের পক্ষে।
প্রাথমিক বিশ্লেষণে আমরা দেখেছি যে, ইউরোপের বাকি অংশের সাথে ব্রিটেনের সম্পর্ক কখনই মসৃণ ছিল না। পৃথিবীর এক সময়ের একক পরাশক্তি হিসেবে অন্যান্য ইউরোপীয় শক্তি- ফ্রান্স, জার্মানির রয়েছে বিরোধের দীর্ঘ ইতিহাস। ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দিতে ব্রিটেন অনেক সময় নিয়েছিল। পরাশক্তির মনোভঙ্গি ব্রিটিশ জনগণকে এক ও অভিন্ন ইউরোপীয় ধারণা থেকে দূরে রেখেছিল। অনেকে মনে করেন, বিষয়টিকে সংসদীয় পর্যায়ে মোকাবিলা না করে গণভোটে দেওয়ার সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল না। অতি আত্মবিশ্বাসের কারণে এখন ডেভিড ক্যামেরনকে ক্ষমতা ছেড়ে দিতে হচ্ছে। অপরদিকে বিরোধী লেবার পার্টির নেতৃত্ব হারাতে হলো জেরেমি করবিনকে। ২৮ জুন অনুষ্ঠিত দলীয় অনাস্থা ভোটে জেরেমি করবিন বিপুল ব্যবধানে পরাজিত হন। দক্ষিণপন্থী ইউকে ইনডিপেনডেন্ট পার্টির নাইজেল ফারাহ ব্রেক্সিটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সুতরাং দেখা যাচ্ছে ব্রিটিশ রাজনীতিতে রক্ষণশীলদের প্রাধান্য পরিলক্ষিত হচ্ছে।
এমনিতেই গোটা ইউরোপে ‘জাতি রাষ্ট্রে’ (Nation State) এ ফিরে যাওয়ার প্রবণতা অনুভূত হচ্ছে। একটি পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে যে, ৬০% ফরাসি জনগণ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছেড়ে যাওয়ার পক্ষে। অপরদিকে নেদারল্যান্ডসেও কঠোর মনোভাব বিরাজ করছে। এভাবে ব্রেক্সিট খুলে দিতে পারে পেন্ডোরার বাক্স। এ সময় ইউরোপের অভ্যন্তরীণ বিরোধগুলো জেগে উঠতে পারে এবং গোটা ইউরোপের জন্য স্থায়ী অস্থিরতার কারণ হতে পারে।
অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করেছিলেন যে, বেক্সিটের ফলে ব্রিটেন অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সম্মুখিন হতে পারে। ১২ জন নবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদসহ ১১২ জন অর্থনীতিবিদ যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করে ব্রিটেনকে সতর্ক করেছিলেন। তাঁদের সতর্ক বার্তা অতি উৎসাহী ব্রিটিশ জনগণ কানে তোলেনি। পাউন্ডের দাম হঠাৎ করে কমে গেছে। ১৯৮৫ সালের পরে এ রকম দরপতন আর কখনো ঘটেনি। পরিসংখ্যানে দেখা যায় যে, ব্রিটেনের ব্যবসা-বাণিজ্যের ৪৫ ভাগ পরিচালিত হতো ইউরোর মাধ্যমে। এখন ব্যবসা-বাণিজ্য গোছাতে ব্রিটেনকে হিমশিম খেতে হবে। ব্রিটেনে সরাসরি বিনিয়োগের (Foreign Direct Investment- FDI)-এর ব্যাপক অংশ আসত অন্যান্য ইউরোপীয় দেশ থেকে। তারা হাত গুটিয়ে নিলে ব্রিটিশ অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বহুজাতিক কোম্পানি গুলোর প্রধান কার্যালয় ছিল লন্ডনে। এখন গোটা ইউরোপের সমর্থনের প্রত্যাশায় লন্ডন থেকে তাদের প্রধান কার্যালয় সরিয়ে নিতে পারে।
ব্রেক্সিটের কারণে এরইমধ্যে বিশ্ব বাজারে বড় ধরনের তোলপাড় শুরু হয়েছে। ঝাকুনি খেয়েছে এশিয়ার বড় বড় করপোরেশন। যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ওয়াল স্ট্রিটে ৫০৫ পয়েন্ট কমে যায়। লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে দেনদেনের শুরুতে ৮% পড়ে যায়। বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০০৮ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের পরে বিশ্ব বাজারে এ ধরনের অস্থিতিশীলতা আর কখনো লক্ষ করা যায়নি। ভোটের আগে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (International Monetary Fund- IMF) আশঙ্কা করেছিল, ইউরোপ থেকে ব্রিটেনের এক্সিট হলে তা হবে বিশ্ব বাজারের জন্য বড় ধরনের আঘাত। ইতিমধ্যে একটি বড় ব্যাংক তাদের প্রধান কার্যালয় মূল ইউরোপে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
ব্রেক্সিট কার্যকরী করতে ইইউ গঠনতন্ত্রের ৫০ ধারা (Treaty of Lisbon-2009) মোতাবেক আরো দুই বছর সময় লাগবে। এই অন্তর্বর্তী সময়ে ব্রেক্সিটের পরিণাম বেশ ভালোভাবেই অনুভূত হতে পারে। লিজবন নামে কথিত ওই চুক্তি কার্যকর করতে অতি দ্রুতই এগোতে চায় ইউরেপিয়ান কাউন্সিল । সেখানে একটি উত্তপ্ত অবস্থা বিরাজ করছে। ব্রিটিশ এমপি নাইজেল ফারাজ তীর্যক মন্তব্য করলে সবাই মিলে তাঁর বিরুদ্ধে নিন্দা সূচক ধ্বনি দেয়। জার্মান চ্যান্সেলর এঙ্গেলা মার্কেল অবশ্য ধীর গতিতে এগুনোর পক্ষপাতী। ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পাঁচ বছর সময় নিতে চান তিনি। বিরোধীরা এখনই প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনকে পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। এর উত্তরে ক্যামেরন বলেছেন, তিনি তাঁর ভবিষ্যৎ উত্তরাধিকারীদের হাতেই সে দায়িত্ব তুলে দিতে চান।
ব্রিটেনের সামনে যে বড় বড় চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে তা হচ্ছে- ক. অভিবাসন, খ. ইইউর অধীনে লব্ধ সুবিধা বাতিলের বিকল্প সমাধান, গ. ইইউ ছাড়ার জটিল প্রক্রিয়া, ঘ. নতুন বাণিজ্য সংস্থা প্রতিষ্ঠা, ঙ. ইইউ বাজেটে ভূমিকা না রাখতে পারার ব্যর্থতা। একজন ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক জেফরি ডি স্যোক্স মনে করেন- ব্রেক্সিটের ফলে বিশ্বায়নের নতুন ঘরানার প্রয়োজনীয়তা সৃষ্টি হয়েছে। স্কটল্যান্ড যুক্তরাজ্যকে ছেড়ে যেতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতিবাচক প্রচারণা আরো জোরদার হবে। গোটা বিশ্বের সাধারণ জনজীবণে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে। ব্রিটেনের সামগ্রিক আয় কমে যেতে পারে। ইইউ ব্রিটেনকে শাস্তি দেওয়ার পরিকল্পনা করতে পারে। ইউরোপীয় ঐক্যের জন্য ব্রেক্সিট সর্বনাশের সূচনা হতে পারে।
ব্রেক্সিট নিয়ে ভিন্নতর মূল্যায়নও রয়েছে। ব্রিটেন এখনো বিশ্ব রাজনীতিতে প্রবলভাবে সক্রিয় এবং বাণিজ্য নীতিতে প্রভাব বিস্তারকারী। ক্যামেরন-বিরোধীরা যেসব স্বপ্ন দেখিয়েছে তা বাস্তবায়িত করার যোগ্যতা যদি তাদের থাকে তাহলে ব্রেক্সিট ব্রিটেনের জন্য অভিশাপ না হয়ে আশীর্বাদ হতে পারে। তবে গণভোটের রায়ে প্রকৃতপক্ষে জনমতের প্রতিফলন ঘটেনি বলে অনেকে অভিযোগ করেছেন। লন্ডন ও স্কটল্যান্ডে ব্রেক্সিট বিরোধীরা বিক্ষোভ করছে। ব্রিটিশ জনগণ ‘সেকেন্ড থট’ দেওয়ার সুযোগ দাবি করেছে। ডেভিড ক্যামেরন অবশ্য দ্বিতীয়বার গণভোটের বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন। ব্রিটিশ জনগণের এই রায়ে বিশ্বের অনেকেই হতাশ হয়েছে। চীনের গণমাধ্যম ব্রিটিশ জনগণের ‘বোধশক্তি’ সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছে। তবে একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে তাদের যেকোনো মতামত দেওয়ার অধিকার রয়েছে, বিষয়টি মূলত নির্ভর করছে ব্রিটেনের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব এবং রণকৌশলের ওপর।
লেখক : কলামিস্ট ও অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।