Beta

৪৩২ পেশার কর্মীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় মাইগ্রেশন উন্মুক্ত হলো

০৫ মার্চ ২০১৮, ১১:০৮ | আপডেট: ০৫ মার্চ ২০১৮, ১২:০৯

স্পনসর্ড আর্টিকেল

অস্ট্রেলিয়ায় নতুন চাকরির ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। ভালো বেতন, উন্নত কাজের পরিবেশ, চাকরির নিশ্চয়তা, শ্রমিকবান্ধব শ্রম আইন, ক্ষতিপূরণ, স্থায়ী হওয়ার সুযোগ, পরিবারের অন্য সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা সবকিছু বিবেচনায় অস্ট্রেলিয়া সব সময়ই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের কাছে পছন্দের শীর্ষের একটি দেশ।

বলা হয়, স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে ভালো কোনো দেশ পৃথিবীতে নেই।

অস্ট্রেলিয়ায় কাজ, বসবাস ও স্থায়ী হওয়ার প্রচলিত নিয়মকানুন সম্পর্কে খোঁজ নিতে আন্তর্জাতিক অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ সময় অস্ট্রেলিয়ার ডিমান্ড লিস্টে প্রায় ৪৩২টি পেশার নাম রয়েছে। সুতরাং যাঁদের যোগ্যতা রয়েছে, তাঁরা মাইগ্রেশনের বিভিন্ন সাবক্লাসে আবেদন করে পরিবারসহ বসবাস করতে পারেন। চাকরি নিয়ে প্রবেশ করেও অনেকে স্থায়ী নাগরিক হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। সঠিক চাকরি এবং সঠিক টেরিটোরি বেছে নেওয়ার দক্ষতা এই ক্ষেত্রে নাগরিক হওয়ার বিষয়টি ত্বরান্বিত করে। তিনি আরো জানান, শুধু গত বছর অস্ট্রেলিয়ায় প্রায় চার লাখ স্থায়ী চাকরির পদ সৃষ্টি হয়েছে।

কয়েক ডজন ভিসা প্রোগ্রাম রয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়, তবে বাংলাদেশিদের জন্য মূলত চারটি ক্যাটাগরি ভালো হতে পারে। এগুলোর হলো :

স্কিলড মাইগ্রেশন উইথ পিআর :

সাবক্লাস ১৮৯, স্কিলড ইনডিপেনডেন্ট ভিসা :

  • বিষয়টি সম্পূর্ণ পয়েন্টের ওপর নির্ভর করে। মোট ৬০ পয়েন্ট প্রয়োজন হয়। পয়েন্ট পাওয়া যায় বয়স, কাজের অভিজ্ঞতা, পড়াশোনা, ভাষার ওপর চূড়ান্ত দখলের ওপর।

স্কিলড নমিনেটেড ১৯০ ভিসা :

  • এই প্রোগ্রাম অত্যন্ত জনপ্রিয়
  • শর্ট লিস্টেড পেশাজীবী হতে হবে।
  • স্টেট বা টেরিটোরি থেকে স্পনরশিপ থাকতে হবে, যা পাওয়া খুব কঠিন কাজ নয়।

টেম্পোরারি গ্র্যাজুয়েট (সাবক্লাস ৪৮৫)

  • কারো যদি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ান স্টুডেন্ট ভিসা থাকে বা কমপক্ষে দুই বছরের মধ্যে পড়াশোনা শেষ করে থাকেন, তাহলে তাঁরা এই কোটায় আবেদন করতে পারবেন।
  • মোট দুই ধরনের হয়, গ্র্যাজুয়েট ওয়ার্ক স্টিম ও পোস্টগ্র্যাজুয়েট ওয়ার্ক স্টিম।
  • ভিসার মেয়াদ ১৮ মাস থেকে ৪ বছর পর্যন্ত হতে পারে। পিআর এর জন্য আবেদন করা যায়।

স্কিলড রিকগনাইজড গ্র্যাজুয়েট ভিসা (৪৭৬)

  • শুধু সদ্য ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করা ছেলেমেয়েরা এই কোটায় আবেদন করতে পারবেন।
  • বয়স ৩১ বছরের মধ্যে হতে হবে। ২৪ মাসের মধ্যে পড়াশোনা শেষ হতে হবে এবং অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি অর্জিত হতে হবে।

এমপ্লয়ার স্পন্সরশিপ :

অস্ট্রেলিয়ান কোনো চাকরিদাতা যদি আপনাকে স্পন্সর করতে ইচ্ছুক হয়, তবে আপনার ভাগ্য খুলে গেল। তবে জোগাড় করা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। এখানে অনেক ধরনের ভিসা হয়। সঠিক ভিসা খুঁজে পাওয়ার ওপর সবকিছু নির্ভর করে। 

কোন ধরনের ভিসার জন্য আপনি উপযুক্ত, তা সঠিক ও বিস্তারিতভাবে জানাটা সবচেয়ে জরুরি। এ ক্ষেত্রে এই বিষয়ে অভিজ্ঞ ইমিগ্রেশন আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।

এমপ্লয়ার নমিনেশন স্কিম (১৮৬) :

•       স্থায়ীভাবে পরিবারসহ এই স্কিমে আবেদন করে বসবাস ও কাজ করা যায়।

•       নাগরিকত্ব লাভ করা সম্ভব।

•       অস্ট্রেলিয়ায় দুই বছর কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হয়।

রিজিওনাল স্পনসর্ড মাইগ্রেশন স্কিম (১৮৭) :

•       স্কিল অ্যাসেসমেন্টের প্রয়োজন হয় না, বয়স ৫০ বছরের নিচে হতে হবে।

•       চাকরিদাতার দায়-দায়িত্ব এ ক্ষেত্রে কিছুটা কম।

•       স্থায়ী নাগরিকত্ব পাওয়া সম্ভব।

•       Regional Area থেকে জব অফারের প্রয়োজন হয়।

•       পড়াশোনা করার সুযোগ পাওয়া যায়।

 

ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ ভিসা (৪০৭) অকুপেশনাল ট্রেইনি স্কিম :

•       প্রাথমিকভাবে দুই বছরের ভিসা হয়।

•       আর্থিক সক্ষমতা থাকতে হয়।

•       প্রশিক্ষণ বা পেশার দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য হতে হয়।

স্কিলড রিজিওনাল ভিসা (সাবক্লাস ৪৮৯) :

  • রিজিওনাল এলাকায় দুই বছরের পড়াশোনার অভিজ্ঞতা।
  • আইইএলটিএসে কমপক্ষে ছয় স্কোর থাকতে হবে।
  • পড়াশোনার পর রিজিওনাল এলাকায় এক বছরের কাজের অভিজ্ঞতা।

চাকরিদাতার বর্তমান কাজের ঠিকানা, কাজরে ধরন ও অভিজ্ঞতার বছর, পড়াশোনার যোগ্যতা, চাকরির ধরন ও বেতনের ওপর পুরো বিষয়টি নির্ভর করে।

প্যারেন্ট ভিসা (সাবক্লাস ১৪৩ অথবা ১৭৩)

  • পিতামাতার বয়স ৬৫ বছরের নিচে হতে হবে।
  • তাদের অফেরতযোগ্য অর্থ বিনিয়োগ করার সামর্থ্য থাকতে হবে।
  • এজড প্যারেন্টস ভিসা : প্রায় ২৫ বছর সময় লাগে শুধু প্রসেস করতে।

পার্টনার মাইগ্রেশন :

  • যদি আপনার পার্টনার বা সঙ্গী অস্ট্রেলিয়ান হন।
  • সম্পর্কের প্রমাণ দেখানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
  • কাজ করার অনুমতি পাওয়া যায়।

 

অস্ট্রেলিয়ায় নাগরিকত্ব পেতে হলে সততা ও দক্ষতার কোনো বিকল্প নেই। সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে ভিসাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রেও কোনো জটিলতা তৈরি হয় না। অস্ট্রেলিয়ান ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে দক্ষতা, সততা ও  সুনামের সঙ্গে যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান কাজ করে যাচ্ছে, তার মধ্যে ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেড অন্যতম।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদের কাছে অস্ট্রেলিয়া মাইগ্রেশনের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘চলতি বছর প্রচুর দক্ষ লোকের প্রয়োজন পড়বে। আমরা যদি সঠিকভাবে ও যোগ্য লোক বাছাই করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আবেদন করতে পারি, তবে সবাইকে পেছনে ফেলে আমরাই অস্ট্রেলিয়ার শ্রমবাজারটি দখল করতে পারব। বাংলাদেশিদের সেই দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা রয়েছে।’ এ ক্ষেত্রে সবাইকে প্রতারকদের হাত থেকে সাবধানে চলার জন্য পরামর্শ দেন তিনি।

যেহেতু বাংলাদেশে বিনিয়োগের একটি চমৎকার পরিবেশ বিদ্যমান আছে, তাই প্রবাসীদের এই সময়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে দেশের চলমান উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ারও আহ্বান জানান এই আইনজীবী।

অস্ট্রেলিয়া মাইগ্রেশনের একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি ভিসা নিয়ে সেখানে যাওয়া। এর ফলে প্রতি মাসে সন্তানরা সোশ্যাল বেনিফিট পাওয়া শুরু করবে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দেশটির বিনামূল্যের স্বাস্থ্য সুবিধা নেওয়া, যা যুক্তরাষ্ট্রেও পাওয়া যায় না।

তাই যোগ্যতা থাকলে আর দেরি না করে এখনই আবেদন করে নিতে পারেন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব।

অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসন বিষয়ে আরো তথ্য জানতে আপনার পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত পাঠাতে পারেন এই ই-মেইল ঠিকানায় info@worldwidemigration.org অথবা হালনাগাদ তথ্যের জন্য ভিজিট করতে পারেন www.wwbmc.com. ওয়েবসাইটে।

সরাসরি কথা বলতে পারেন ঢাকার উত্তরায় ৭ নম্বর সেক্টরের ৫১ সোনারগাঁও জনপথে অবস্থিত খান টাওয়ারে অবস্থিত ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন লিমিটেডের অফিসে। প্রাথমিক তথ্যর জন্য ফোন করতে পারেন ০১৯৬৬০৪১৫৫৫, ০১৯৯৩৮৪৩৩৪০, ০১৯০৪০৩৬৮৯৯, ০১৯০৪০৩৬৮৯৮ নম্বরে।

ইউটিউবে এনটিভির জনপ্রিয় সব নাটক দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Advertisement