Beta

বৃদ্ধকে বুকে ছুরি মেরে খুন, মামি-ভাগ্নে আটক

১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৫:২৬ | আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২০:৫৭

সাবিনা ইয়াসমিন শ্যামলী, কুষ্টিয়া
মজিবুর রহমানের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ছবি : এনটিভি

কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার একটি গ্রাম থেকে এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, তাঁকে ছুরি মেরে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গতকাল রোববার রাতে উপজেলার সমসপুর ইউনিয়নের সন্তোষপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে রাতেই পুলিশ গিয়ে বৃদ্ধ মজিবুর রহমানের (৭৫) লাশ উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

আটক দুজন হলেন নাঈম (২১) ও সামিয়া (৩৪)। এর মধ্যে নাঈম নিহত মজিবুর রহমানের বড় মেয়ের ছেলে। তাঁদের বাড়ি কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলায়। আর সামিয়া (৩৪) মজিবুরের মেজ ছেলের স্ত্রী। সম্পর্কে নাঈম ও সামিয়া মামি-ভাগ্নে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাঈমের স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ বি এম মেহেদী মাসুদ দাবি করেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরেই নাঈমের সঙ্গে তাঁর মামি সামিয়ার সম্পর্ক চলে আসছিল। গতকাল রোববার রাতে ঢাকা থেকে নানাবাড়ি যান নাঈম। রাতে সামিয়ার স্বামী, অর্থাৎ নাঈমের মামা বাড়ি ছিলেন না।’

‘রাতের কোনো একসময় নাঈম তাঁর মামির কক্ষে যায়। বিষয়টি নানা মজিবুর রহমান দেখে ফেলেন। ঘটনাটি সবাই জেনে যাবে, এ আশঙ্কা থেকে নাঈম তাঁর নানা মজিবুরকে বারান্দায় টেনে এনে বুকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যান বলে স্বীকারোক্তিতে বলেছেন।’

ওসি আরো বলেন, মজিবুরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ কুমারখালীর নিজ বাড়ি থেকে নাঈমকে আটক করে। নাঈমের প্রাথমিক স্বীকারোক্তির পর নিহতের বাড়ি থেকে সামিয়াকেও আটক করা হয়।

মজিবুর রহমানের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

Advertisement