মুম্বাইকে জেতাতে পারলেন না মুস্তাফিজ

দারুণ সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ ওভারে দলকে জেতাতে পারলেন না বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। তাঁর দল মুস্বাই ইন্ডিয়ানস সাত উইকেটে হেরে গেছে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের কাছে। ঘরের মাঠ ওয়াংখেড়েতে এ নিয়ে টানা তৃতীয় ম্যাচ হেরেছে তারা।
প্রথম ম্যাচের মতো মুম্বাইকে জেতানোর দায়টা আবারো চেপেছিল মুস্তাফিজের ঘাড়ে। ১১ রানের পুঁজি নিয়ে প্রথম দুই বলেই ১০ রান দিয়েছেন কাটার-মাস্টার। অবশ্য পরে টানা তিন বলে তিনটি ডট দিয়ে ম্যাচে কিছুটা উত্তেজনা নিয়ে আসেন। কিন্তু শেষ বলে দলের হার এড়াতে পারেননি তিনি।
শেষ বলে এক রান নিয়ে দলকে জিতিয়েই মাঠে ছাড়েন ইংলিশ ব্যাটসম্যান জেসন রয়। সেঞ্চুরি থেকে নয় রান দূরে ৫৩ বলে সমান ছয়টি করে চার আর ছয়ে ৯১ রানে অপরাজিত ছিলেন এই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান।
হার্দিক পান্ডিয়া ও আকিলা ধনঞ্জয়ার খরুচে ওভার দিয়ে এদিন বোলিং পর্বের শুরু করে মুম্বাই। জেসন রয়ের সে ঝড় সামলে তৃতীয় ওভারে মাত্র দুই রান দিয়ে মুম্বাইকে পথে আনেন জশপ্রীত বুমরাহ।
ইনিংসের চতুর্থ ওভারে মুস্তাফিজের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। চার রান খরচে আঁটসাঁট বোলিংয়ে প্রথম ওভার শেষ করেছিলেন বাংলাদেশি বাঁহাতি পেসার। উইকেটের দেখা পান নিজের করা দ্বিতীয় ওভারেই। সে ওভারে মাত্র তিন রান দিয়ে তুলে নেন দিল্লি অধিনায়ক গৌতম গম্ভীরকে।
টুর্নামেন্টের আগের দুই ম্যাচে দারুণ বল করা মায়াঙ্ক মারকান্দে এদিন ছিলেন একদমই বিবর্ণ। তিন ওভারে এই লেগস্পিনার ৪২ রান দিলে এরপর আর তাঁকে বোলিংয়েই আনেননি রোহিত। অন্যদিকে নিজের আইপিএল অভিষেক ম্যাচে আরেক স্পিনার ধনঞ্জয়া চার ওভারে গুনেছেন ৪৭ রান। দুই ওভার বল করে হার্দিক দিয়েছেন ৩২ রান।
বুমরাহর করা ১৭তম ওভারে দুবার ক্যাচ ছেড়েছেন মুস্তাফিজ। প্রথম বলে আর পঞ্চম বলে শ্রেয়াস আইয়ারকে লুফে নিতে পারেননি দ্য ফিজ। ১৮তম ওভারে নিজে এসেছিলেন বোলিংয়ে, দিয়েছিলেন সাত রান। সব মিলিয়ে চার ওভার বল করেছেন মুস্তাফিজুর রহমান। ২৫ রান দিয়ে নিয়েছেন এক উইকেট।
এর আগে আইপিএলের ইতিহাসে পাওয়ারপ্লেতে নিজেদের সর্বোচ্চ রান (৮৪ রান) তুলে নেওয়ার দিনে মুম্বাইয়ের সংগ্রহ ছিল এবারের আসরের সর্বোচ্চ সংগ্রহ সাত উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রান। দিল্লি সে রান টপকে যাওয়ায় রেকর্ডটা আর থাকলোনা তাদের পক্ষে।
এই নিয়ে মাঠে তিন ম্যাচের তিনটিতেই হেরে পয়েন্ট টেবিলের একদম তলানিতে চলে গেল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। অন্যদিকে প্রথম দুই ম্যাচ হারলেও তৃতীয়টি জিতে নিয়ে অষ্টম স্থান থেকে সপ্তমে উঠল দিল্লি।