বৃষ্টি হতেই দিল না বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ডের ম্যাচ

শেষ পর্যন্ত মাঠেই গড়ায়নি ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ–আয়ারল্যান্ড ম্যাচ। বৃষ্টির বাগড়ায় টস হয়নি, গড়ায়নি একটি বলও। তাই দুই দলই পয়েন্ট ভাগাভাগি করে নিয়েছে।
ম্যাচটি না হওয়া কিছুটা ‘ক্ষতি’ হয়েছে বাংলাদেশের। ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় দুই পয়েন্ট পেয়েছে বাংলাদেশ। যদি ম্যাচটি হতো, জিতলে পেত চার পয়েন্ট। বোনাস পয়েন্ট হলে পূর্ণ পাঁচ পয়েন্ট। সে হিসাবে তিন পয়েন্ট হারিয়েছে বাংলাদেশ। তবে ছয় পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরেই আছে বাংলাদেশ।
অবশ্য এদিন সকাল থেকেই থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছিল ডাবলিনে। এই বৃষ্টি কখনো থেমেছে, আবার হয়েছে। সবশেষে ম্যাচ রেফারি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন ম্যাচটি।
টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হেসে-খেলে হারায় বাংলাদেশ দল। ব্যাটসম্যানদের দারুণ নৈপুণ্যে ক্যারিবীয়দের করা ২৬২ রান আট উইকেট হাতে রেখেই টপকে যায়। অন্যদিকে, টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ১৯৬ রানের বড় ব্যাবধানে হেরে যায় আয়ারল্যান্ড। বাংলাদেশের কাছে হেরে গেলেও আইরিশদের বড় ব্যবধানে হারানোর সুবাদে একটি বোনাস পয়েন্টসহ দুই ম্যাচে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ক্যারিবীয়রা। আর দুই ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে প্রথম স্থানে আছে বাংলাদেশ। আয়ারল্যান্ড একটি ম্যাচও জিততে না পারলেও দুই পয়েন্ট ঝুলিতে পুরেছে তারা।
গত মঙ্গলবার ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত বাংলাদেশ ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে উইন্ডিজের বিপক্ষে ৮ উইকেটের বিশাল জয় পায়। নিজেদের শুরুর ম্যাচে এমন জয় এবং পারফরম্যান্স দলের সবাইকে আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে বলে মনে করেন দলের অন্যতম তারকা সাকিব আল হাসান। তাঁর কথায়,'এমন জয়ে সবাই আত্মবিশ্বাস পাবে। কারণ এমন পারফরম্যান্স আমরা খুব বেশি ম্যাচে আমরা করতে পারি না। সেখানে এত ভালো একটা পারফরম্যান্স যেখানে, সবাই অবদান রেখেছে। এটা অবশ্যই দলের জন্য ভালো দিক। স্বাভাবিক ভাবে খেলোয়াড়দের দিকে তাকালেই বোঝা যাবে সবাই কতটা এখন আত্মবিশ্বাসী আছে।'
উইন্ডিজদের বিপক্ষে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পর ব্যাট হাতে ৬১ রানের অপরাজিত ইনিংসে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন সাকিব। প্রথম ম্যাচের এই ছন্দ এবার সামনের ম্যাচগুলোতে নিয়ে যাওয়াই এখন মূল লক্ষ্য দেশ সেরা এই অলরাউন্ডারের। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘গত ছয় মাস পর জাতীয় দলের হয়ে প্রথম ম্যাচ খেললাম। তাই মাঠে নামার আগে একটু ভয় কাজ করছিল। আসলে এটা হতেই পারে। যেহেতু প্রস্তুতি ম্যাচটা ভালো করেছিলাম, একটা আত্মবিশ্বাস ছিল। যেটা মূল ম্যাচে সাহায্য করেছে। আসলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের এমন বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে ভালো করতে পারা অবশ্যই অনেক চাপ কমায়। শুরুটা ভালো হয়েছে, এবার বাকিটা চালিয়ে যেতে হবে।’
মাশরাফিদের পরের ম্যাচ ১৩ মে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।