জোড়া সেঞ্চুরিতে প্রোটিয়াদের লড়াইয়ের আভাস

ইনিংসের শুরুতেই তিন টপ অর্ডারের বিদায়, ১৭৮ রানে আরো পাঁচ উইকেট নেই। শঙ্কা ছিল ফলোঅন এড়ানো নিয়ে। কিন্তু সেখান থেকে ভারতের মাটিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ওপেনার ডিন এলগার ও ডি ককের জোড়া সেঞ্চুরিতে ভারতের ৫০২ রানের বিপরীতে প্রথম ইনিংসে ৪৩১ রান তুলেছে প্রোটিয়ারা।
বিশাখাপত্তম টেস্টে আট উইকেটে ৩৮৫ রান নিয়ে চতুর্থদিন শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। ১২ রানে অপরাজিত ছিলেন সেনুরান মুথুসামি। কেশভ মহারাজ ছিলেন তিন রান নিয়ে। সেখান থেকে শেষের দিকের উইকেটগুলোতে ৪৬ রান যোগ করে অতিথিরা।
তাতে ৭১ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে ভারত। ৪৩১ রানের ইনিংসে সেঞ্চুরি হাঁকান এলগার ও কক। ওপেনিংয়ে নেমে ১৬০ রান করেন এলগার। ২৬৭ বলের ইনিংসটি সাজানো ছিল ১৮টি বাউন্ডারি ও ৪টি ছক্কায়। ১৬৩ বলে ১১১ রান করেন ডি কক। এ ছাড়া হাফ সেঞ্চুরি(৫৫) করেন অতিথি দলের অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি।
এর আগে মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও রোহিত শর্মার ৩১৭ রানের বিশাল জুটিতে বিশাখাপত্তম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৫০২ রানে ইনিংস ঘোষণা করে ভারত।
রোহিত-মায়াঙ্কের অবিচ্ছিন্ন ওপেনিং জুটিতে ২০২ রানে প্রথম দিন শেষ করে ভারত। ১১৫ ও ৮৪ রানে অপরাজিত থেকে দ্বিতীয় দিন শুরু করেন দুই ওপেনার। সেদিন প্রথম সেশনের শেষের দিকে রোহিত শর্মাকে ফিরিয়ে ওপেনিং জুটি ভাঙেন কেশভ মহারাজ। তবে তার আগেই রেকর্ড গড়ে ফেলেন দুই ওপেনার। আউট হওয়ার আগে এই জুটিতে আসে ৩১৭ রান। যেটা দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে যেকোনো জুটিতে ভারতের সর্বোচ্চ রান। আগের সেরা ছিল ২০০৮ সালে চেন্নাই টেস্টে দ্বিতীয় উইকেটে রাহুল দ্রাবিড় ও বীরেন্দর শেবাগের ২৬৮ রান। ফেরার আগে ১৭৬ রান করেন রোহিত। ২৪৪ বলে ইনিংসে ছিল ২৩ চার ও ছয় ছক্কা।
এর মাঝে ডাবল সেঞ্চুরির দেখা পান মায়াঙ্ক। ৩৭১ বলে ২১৫ করে আউট হন তিনি। তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল ছয় ছক্কা ও ২৩ চারে। এরপর শেষের দিকের ব্যাটসম্যানদের পুঁজিতে সাত উইকেটে ৫০২ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে ভারত।