প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় ধান কাটা বন্ধ

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করলে মাঠের ধান কাটতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।
আজ সোমবার সকালে যশোর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোর্তজা এলাহী টিপু এ অভিযোগ করেন।
টিপু বলেন, মাঠে এখন বোরো ধান পাকতে শুরু করেছে। ঝড়-বৃষ্টির কারণে চাষিরা জরুরিভাবে ধান কেটে বাড়ি নিতে চাইছেন। কিন্তু কয়েকটি ইউনিয়নে প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করলে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের মাঠের ধান কাটতে দেওয়া হচ্ছে না।
বিএনপি নেতা টিপু বলেন, নির্বাসখোলা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী জামির হোসেন, ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী সাজাহান, গদখালী ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী মনির হোসেন তাঁদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর মাঠের ধান কাটতে পেরেছেন। তিনি বলেন, বিএনপি সমর্থিত অনেক প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের চাপে পড়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। অনেক প্রার্থী দিনের পর দিন বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না। এ অবস্থায় ঝিকরগাছায় কোনোভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন মোর্তজা এলাহী টিপু।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুনীর আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চুসহ ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আগামী ৭ মে ঝিকরগাছা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আজ সেখানে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, ঝিকরগাছার ১১টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির একক প্রার্থী রয়েছে। আর ১১টি ইউনিয়নের মধ্যে ১০টিতেই আওয়ামী লীগের রয়েছে একাধিক প্রার্থী। এ অবস্থায় যেকোনোভাবে বিএনপির প্রার্থীদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করানোর চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ। এতে সফল হলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে কেবল আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের মধ্যে।