যেভাবে আম্বানিপুত্রের ওজন ১০৮ কেজি কমেছে

দ্রুতগতির বিশ্বে সবাই দৌড়াচ্ছেন সাফল্য ও টাকার পেছনে। এত কিছুর ভিড়ে সুস্বাস্থ্যের জন্য দৌড়ানো তো দূরের কথা, অনেকে ওই পথে হাঁটছেনও না। ফলে অনেকেই মুটিয়ে যাচ্ছেন।
প্রতিবছর নতুন বছরের চাওয়া হিসেবে ৫০ শতাংশেরও বেশি তরুণ ও মধ্যবয়সী ব্যক্তি নিজেদের আদর্শ ওজনে দেখতে চান। কিন্তু এর অর্ধেক পরিমাণ মানুষও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারছেন না। এত কিছুর মধ্যে একজন ধনীর দুলালের ওজন কমানোর গল্প সাধারণের কেবল আগ্রহ জাগায় না, অনুপ্রেরণাও দেয়।
ভারতের ধনকুবের মুকেশ আম্বানির ছেলে অনন্ত আম্বানি ১০৮ কেজি ওজন কমিয়েছেন, তাও মাত্র ১৮ মাসে। চলুন জেনে নিই, কীভাবে তিনি এ অসাধ্য সাধন করলেন :
ডায়েট
বলা হয়ে থাকে, ওজন কমাতে ৮০ শতাংশ ভূমিকা রাখে ডায়েট আর ২০ শতাংশ ভূমিকা রাখে ব্যায়াম। অনন্ত আম্বানি এটিই অনুসরণ করেছেন। তিনি ছয়বেলা সবজি, তাজা ফল ও পনির খাওয়া শুরু করেন। খাদ্যতালিকায় আঁশযুক্ত খাবার বেশি রেখে তেলজাতীয় খাবার এড়িয়ে গেছেন। অনন্ত তাঁর দিন শুরু করেছেন খাঁটি দুধ দিয়ে। সালাদ, স্যুপও খেয়েছেন নিয়মিত। খাদ্যতালিকায় ঘিও রেখেছেন ধনীর দুলাল।
ব্যায়াম
আগে অনন্ত আম্বানি দীর্ঘদিন শারীরিক পরিশ্রম করেননি, ফলে ধীরে ধীরে পুশআপ দেওয়া তাঁর জন্য জরুরি ছিল। অনন্তের ফিটনেস তত্ত্বাবধায়ক বিনোদ চান্না জানান, অনন্তকে শুরুতে ধীরগতির সাইক্লিং ও টানা হাঁটতে বলা হয়েছিল। অনন্ত তাঁর বাড়িতে রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ব্যায়াম করেছেন।
অনন্ত ভারসাম্যপূর্ণ প্রশিক্ষণ নিতে থাকেন এবং তাঁর বাড়তি মেদ থেকে মুক্তি পান। একসময় অতিরিক্ত মেদ নিয়ে তিনি অনেক ভোগান্তির সম্মুখীন হয়েছেন। অনন্তকে বলা হয়েছিল দিনে ২১ কিলোমিটার করে হাঁটতে। পাশাপাশি ইয়োগা ও কার্ডিও প্রশিক্ষণ চালিয়ে যেতে বলা হয়েছিল।
ফিটনেস তত্ত্বাবধায়কের সব পরামর্শ মেনে সফল হয়েছেন অনন্ত আম্বানি। পেয়েছেন আকর্ষণীয় লুক। আপনিও চেষ্টা করতে পারেন। সূত্র : ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস টাইমস