Beta

অধিনায়কের মতোই খেললেন মাহমুদউল্লাহ

০৩ মার্চ ২০১৯, ১১:৪৯

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে খুব বড় কিছু করতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ। ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে মাত্র ২২ রান করে নিল ওয়াগনারের বাউন্সারে প্যাভিলিয়নে ফিরে গিয়েছিলেন। বাংলাদেশের ২৩৪ রানের জবাবে ৬ উইকেটে ৭১৫ রানের পাহাড়সম স্কোর করে ইনিংস ঘোষণা করে কিউইরা। ৪৮১ রানে পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসেও দ্রুত উইকেট হারায় শুরুতেই। ১২৬ রানে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে তামিম ইকবাল আউট হওয়ার পর সৌম্য সরকারের সঙ্গে ইনিংসের হাল ধরেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। হ্যামিল্টন টেস্টে আজ ক্যারিয়ারের চতুর্থ টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তিনি। শেষদিকে নিঃসঙ্গ যোদ্ধার মতো লড়া রিয়াদ নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হয়েছেন দলীয় ৪২৯ রানে। তাঁর আগেই খেলেছেন ১৪৬ রানের জ্বলজ্বলে ইনিংস।

মাহমুদউল্লাহর ইনিংসটার মাহাত্ম্য শুধু একটি সেঞ্চুরি দিয়ে বিচার করলে ভুল করা হবে। তিনি যখন উইকেটে আসেন, তখন ইনিংস পরাজয় এড়াতেই বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩৫৫ রান। কোণঠাসা অবস্থায় পঞ্চম উইকেটে সৌম্যর সঙ্গে গড়েছেন ২৩৫ রানের জুটি। বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ম্যাচটিকে পঞ্চম দিনে টেনে নিতে পারেনি। হেরে গেছে ইনিংস ও ৫২ রানের ব্যবধানে। তবে রিয়াদের ইনিংসটা বহুদিন মনে থাকবে টেস্ট ক্রিকেটপ্রেমী দর্শকদের। অধিনায়কোচিত এক ইনিংস খেলে ২২৯ বলে ২১টি দৃষ্টিনন্দন চার ও তিনটি ছক্কায় ১৪৬ রানে আউট হয়েছেন তিনি।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেই টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। আজ একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে করলেন ক্যারিয়ার-সেরা স্কোর। তবে রিয়াদের ইনিংসটার মূল্যায়ন ব্যক্তিগত সেঞ্চুরি বা সর্বোচ্চ স্কোর দিয়ে করা ঠিক হবে না। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ধুঁকতে থাকা দলের মিডলঅর্ডারকে আত্মবিশ্বাসের রসদ এনে দেবে তাঁর ইনিংসটা। আর সৌম্য সরকারের জুটিটা চরম বিপর্যয়ের মুখেও দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করার মানসিকতা সঞ্চারিত করবে অন্য সবার মাঝে।     

Advertisement