Beta

‘ই-টিকেটিং ও সরকারি অনুদান পাবে প্রযোজকরা’

০৪ জুলাই ২০১৯, ১৬:৩৪

বিনোদন প্রতিবেদক
‘পাসওয়ার্ড’ ছবির শুটিংয়ের ফাঁকে প্রযোজক ইকবাল ও পরিচালক মালেক আফসারি। ছবি : সংগৃহীত

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) অবস্থিত প্রযোজক পরিবেশক সমিতির কার্যালয় প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। প্রার্থীরা চলচ্চিত্রের সংকট শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন সাধারণ প্রযোজকদের। সব ঠিক থাকলে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াবে চলচ্চিত্র—এমনটাই আশা করছেন চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্টরা।

নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন শাকিব খানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও তাঁর সহপ্রযোজক মোহাম্মদ ইকবাল। এনটিভি অনলাইনকে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে পেশাজীবী প্রযোজকদের সংখ্যা কমেছে। মৌসুমি প্রযোজকরা চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন বেশি। যদিও আমি নিয়মিত চলচ্চিত্র প্রযোজনা করছি। প্রযোজকরা সিনেমা মুক্তি দিলে সিনেমা হল থেকে সঠিক হিসাব পাচ্ছেন না, যে কারণে পেশাজীবী প্রযোজকরা নিয়মিত চলচ্চিত্র নির্মাণ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। আমি মনে করি, এই সমস্যা সবার আগে সমাধান করা উচিত।’

ইকবাল আরো বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে ই-টিকেটিংয়ের ব্যবস্থা করব সারা দেশের সিনেমাগুলোতে। সে ক্ষেত্রে সরকারি অনুদান না পেলে প্রযোজক সমিতির টাকা দিয়ে আমরা ই-টিকেটিংয়ের ব্যবস্থা করব। তা ছাড়া অনুদানের চলচ্চিত্র নিয়ে আমাদের কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে। কারণ যারা অনুদান পায়, তাদের বেশির ভাগই নিয়মিত প্রযোজক নয়। আমরা সরকারের সঙ্গে কথা বলে নিয়মিত প্রযোজকরা যেন অনুদানের চলচ্চিত্র পায়, আমরা সেই ব্যবস্থা করব ইনশাআল্লাহ।’

প্রযোজক মোহাম্মদ আসলাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই আমরা নানা সমস্যার কারণে পেশাজীবী প্রযোজকরা চলচ্চিত্র নির্মাণ থেকে সরে আছি। কারণ, একটি সিনেমা হলে ছবি মুক্তি দিলে কত টাকার টিকেট বিক্রি হয়েছে, সেটা আমরা সঠিক হিসাব পাই না। এমন নানা সমস্যায় আমরা বাধা পড়ে আছি। নির্বাচন শেষ হলে আমাদের চলচ্চিত্রের সমাধান হবে বলে আমি আশা করছি।’

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনকৃত এফবিসিসিআইর অঙ্গসংগঠন। মামলা ও নানা জটিলতার কারণে সাত বছর ধরে বন্ধ ছিল এই সমিতির নির্বাচন। আগামী ২৭ জুলাই এই সমিতির নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এর আগে নির্বাচন হয় ২০১১ সালের ১৮ আগস্ট।

এবারের নির্বাচনে কোনো প্যানেল থাকছে না। নির্বাচন হবে দুই ধাপে। প্রথমে সাধারণ সদস্যরা ১৯ জন নির্বাহী সদস্যকে নির্বাচিত করবেন। এরপর ১৯ জন মিলে সম্পাদকীয় পদের জন্য ১০ জনকে নির্বাচিত করবেন।

নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার, অর্থাৎ নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মিরাজুল ইসলাম উকিল। সদস্য হিসেবে থাকবেন মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন (উপসচিব), মো. খাদেমুল ইসলাম (সহকারী প্রোগ্রামার)। আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে থাকবেন আবদুর রহিম খান (যুগ্ম সচিব), সদস্য আব্দুছ সামাদ আল আজাদ (যুগ্ম সচিব), সৈয়দা নাহিদা হাবিবা (উপসচিব)।

Advertisement